২ আসামি গ্রেফতার, জানা গেল যুবদল নেতাকে গলা কেটে হত্যার কারণ

১ দিন আগে
রংপুরে যুবদল নেতা রাকিব হাসানকে গলা কেটে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

স্ত্রীর গায়ে হাত তোলার প্রতিশোধ নিতেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি মমিন মিয়া ও তার স্ত্রী সুইটি বেগমকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
 

সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাতে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শাহাপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে র‍্যাব-১৩-এর একটি দল।


র‍্যাব জানায়, যুবদল নেতা রাকিবের সঙ্গে আসামি মমিনের আগে থেকেই বিরোধ ছিল। গত ৮ এপ্রিল তাদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মমিনের স্ত্রী সুইটি বেগম রাকিবকে থাপ্পড় মারেন। জবাবে রাকিবও সুইটির গালে থাপ্পড় মারলে পরিস্থিতির অবনতি হয়।
 

আরও পড়ুন: ‘টিকটকার’ স্ত্রী আঁখি গ্রেফতার, আলোচিত জিহাদ হত্যার কারণ জানালো র‌্যাব


ঘটনার পরপরই সুইটি তার স্বামী মমিনকে ফোন করে উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘রাকিব আমাকে থাপ্পড় মারছে; তুই যদি হিজড়া না হয়ে পুরুষ মানুষ হোস, তাহলে রাকিবকে সায়েস্তা করে আমাকে এখান থেকে নিয়ে যা।’ স্ত্রীর এই উসকানিমূলক কথা শোনার পরদিনই রাকিবকে হত্যার চূড়ান্ত পরিকল্পনা করেন মমিন।


গত ৯ এপ্রিল বিকেলে নগরীর দাস পাড়া এলাকায় রাকিবকে একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন মমিন ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় নিহত রাকিবের বাবা আব্দুস সালাম বাদী হয়ে রংপুর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।


র‍্যাব-১৩-এর রংপুর সদর কোম্পানি কমান্ডার মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মমিনের সঙ্গে আগে থেকে শত্রুতা থাকলেও স্ত্রীর উসকানিতেই তিনি হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে রাকিবকে সরাসরি আঘাত করেন। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মিঠাপুকুরে এক আত্মীয়র বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।’


পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। মামলার বাকি আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন