তিনি অভিযোগ করে বলেন, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও জনবল সংকটে এই হাসপাতালটি এখন কেবল ‘রেফার’ করার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের কাছে এটি এখন ‘রেফার্ড টু ঢাকা বা রাজশাহী’ হাসপাতাল নামে পরিচিতি পেয়েছে।চাঁপাই
সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এমপি নুরুল ইসলাম জানান, ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৬০০ থেকে ৭৫০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। ধারণক্ষমতার চেয়ে তিন গুণ বেশি রোগী থাকলেও হাসপাতালটিতে চিকিৎসকের ৫২ শতাংশ পদই শূন্য। চিকিৎসক সংকটের কারণে জরুরি বিভাগের (ইমার্জেন্সি) সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে বেড়েছে হামের প্রকোপ, একদিনে ৩ শিশুর মৃত্যু
জেলা হাসপাতাল হওয়া সত্ত্বেও এখানে চক্ষু ও মানসিক রোগের কোনো চিকিৎসা নেই এবং সংশ্লিষ্ট কোনো চিকিৎসকও নেই। শিশুদের জন্য নেই কোনো স্ক্যানো বেড। এ ছাড়া ডায়ালাইসিস, সিসিইউ, আইসিইউ, সিটি স্ক্যান ও এমআরআই-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবার জন্য অবকাঠামো থাকলেও কোনো আধুনিক যন্ত্রপাতি বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই চিকিৎসকরা অধিকাংশ রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী বা ঢাকায় পাঠিয়ে দেন।
হাসপাতালের প্রশাসনিক ও জনবল কাঠামোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এত বড় একটি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা কর্মী মাত্র চারজন এবং ডোম রয়েছেন মাত্র একজন। এটি একটি হাসপাতালের জন্য অত্যন্ত অপ্রতুল। এ ছাড়া সেখানে নিরাপত্তাকর্মীর কোনো পদই নেই, যা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তিকে বিঘ্নিত করছে।’
বর্তমানে জেলাটিতে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘বর্তমানে সারা দেশে হামের যে প্রকোপ দেখা দিয়েছে, তার প্রায় ১০ শতাংশই কেবল চাঁপাইনবাবগঞ্জে। আমি নিজে এলাকা পরিদর্শন করে দেখেছি হাম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।’
দ্রুত এই অচল অবস্থা নিরসন এবং চিকিৎসা সেবার মান বাড়াতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম।

৬ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·