সম্প্রতি এক বার্তায় বিআরটিএ জানায়, অতিরিক্ত শব্দদূষণের কারণে মানুষের বহুমাত্রিক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এর ফলে কানে কম শোনা, আংশিক বা সম্পূর্ণ বধিরতা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা ও মনোযোগের সমস্যা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে গর্ভপাত, নবজাতকের বধিরতা বা প্রতিবন্ধিতার ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
বার্তায় আরও বলা হয়, শব্দদূষণের প্রভাব শিশু, নারী, ট্রাফিক পুলিশ, চালক, পথচারী এবং শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের ওপর বেশি পড়ে। হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রোগী ও শিক্ষার্থীরাও বিশেষভাবে ঝুঁকিতে থাকে।
আরও পড়ুন: ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে কাটা যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট, চালু হচ্ছে ‘আরএসপিএস’ অ্যাপ
সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর ধারা ৪৫ (৩) অনুযায়ী, সরকার ঘোষিত নীরব এলাকায় কোনো মোটরযান চালক হর্ন বাজাতে পারবেন না। এ বিধান লঙ্ঘন করলে ধারা ৮৮ অনুযায়ী অনধিক ৩ মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
এছাড়া মোটরযান চালকের দোষসূচক ১ পয়েন্ট কর্তনের ব্যবস্থাও রয়েছে। এ অবস্থায় বিআরটিএ সংশ্লিষ্ট সবাইকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং রাতের বেলা আবাসিক এলাকায় হর্ন ব্যবহার থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে। অন্যথায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
]]>
১ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·