বৃহস্পতিবার সকালে ও দুপুরে নদীর গড়দুয়ারা, আজিমের ঘাট, মাছুয়া ঘোনা ও কাগতিয়া এলাকাসহ কয়েকটি অংশ থেকে নমুনা ডিম সংগ্রহ করেন সংগ্রহকারীরা।
হাটহাজারী উপজেলার সিনিয়র মৎস্য অফিসার মো. শওকত আলী বলেন, কয়েকদিন ভারি বৃষ্টি হয়েছে। গত দুই দিন হালদায় পাহাড়ি ঢলও নেমেছে। গতকাল রাতে খুব অল্প পরিমাণে নমুনা ডিম ছাড়ে মা মাছ।
হালদা পাড়ের প্রবীণ ডিম সংগ্রহকারী কামাল সওদাগর বলেন, ‘এ বছর যথাসময়ে হালদা নদীতে মা মাছ নমুনা ডিম দিয়েছে। আমি এ পর্যন্ত ১০০ হতে ২০০ গ্রাম নমুনা ডিম পেয়েছি। আশা করা যাচ্ছে বিকালের মধ্যে মা মাছ পুরোদমে ডিম ছাড়বে।’
আরও পড়ুন: আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা কমে আসবে: মীর শাহে আলম
ডিম সংগ্রহের জন্য প্রায় অর্ধ সহস্রাধিক ডিম সংগ্রহকারী ডিম সংগ্রহের সরঞ্জাম নিয়ে নদীর পাড়ে অপেক্ষায় আছেন। সংগ্রহ করা ডিম থেকে পোনা তৈরির জন্য সরকারি ও বেসরকারি হ্যাচারি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানাধীন মিনি হ্যাচারি ও মাটির কুয়াও প্রস্তুত।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিভার রিচার্স ল্যাবরেটরির কো-অর্ডিনেটর ও হালদা গবেষক, বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মনজুরল কিবরিয়া জানান, সকাল থেকে হালদা নদীতে মা মাছ নমুনার ডিম দিয়েছে। আশা করা যাচ্ছে সবকিছু অনুকূলে থাকলে সন্ধ্যার পর ভাটার জোতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা অথবা রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে ডিম ছাড়ার।
চট্টগ্রামের হাটহাজারী, ফটিকছড়ি ও রাউজানের প্রায় ৯৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকাজুড়ে আছে হালদা নদী। প্রতিবছরের চৈত্র থেকে আষাঢ় মাসের মধ্যে পূর্ণিমা-অমাবস্যার তিথিতে বজ্রসহ বৃষ্টি হলে নদীতে পাহাড়ি ঢল নামলে মা মাছ ডিম ছাড়ে।

৫ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·