তরিকুল ইসলাম তারিক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হল ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
সহায়তাপ্রাপ্ত ওই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের চাইনিজ ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের ছাত্র। বর্তমানে তিনি স্যার এ এফ রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। আগামী ৭ মে তার মাস্টার্সে ভর্তির শেষ সময়। জানা গেছে, উচ্চশিক্ষার জন্য স্কলারশিপ পরীক্ষার ফি প্রদান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সংক্রান্ত কাজে নিজের জমানো সব অর্থ ব্যয় করে ফেলেন তিনি। অন্যদিকে, পরিবার ঋণে জর্জরিত থাকায় সেখান থেকেও কোনো সহায়তা নেয়া সম্ভব ছিল না।
এই চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে হলের এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে তিনি তরিকুল ইসলাম তারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যায় বিষয়টি জানার পরপরই তরিকুল ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে ভর্তির প্রয়োজনীয় অর্থ পৌঁছে দেন।
আরও পড়ুন: রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিন, সদস্য সচিব লিমন
সহায়তা পেয়ে ওই শিক্ষার্থী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘টাকার অভাবে আমার পড়াশোনা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তারিক ভাই যেভাবে এগিয়ে এসেছেন, তাতে আমি পড়াশোনার নতুন উদ্দীপনা পেয়েছি। তিনি আমার শিক্ষা জীবনে নতুন করে প্রেরণা জুগিয়েছেন।’
বিষয়টিকে সাধারণ একজন শিক্ষার্থীর প্রতি জ্যেষ্ঠ ছাত্র হিসেবে কর্তব্যবোধ মনে করছেন তরিকুল ইসলাম তারিক। তিনি বলেন, ‘রাজনীতির ঊর্ধ্বে হলো মানবিকতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী ছাত্রের পড়াশোনা কেবল টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে যাবে–এটি মেনে নেয়া যায় না। ছেলেটির সংকটের কথা শুনে আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।’
ছাত্র রাজনীতির মূল লক্ষ্যই হওয়া উচিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের সেবা করা এবং সংকটে তাদের পাশে দাঁড়ানো–এমনটিই মনে করেন ছাত্রদলের এই কেন্দ্রীয় নেতা।

১ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·