হামে আক্রান্তদের বড় অংশই টিকার বাইরে ছিল: স্বাস্থ্যের ডিজি

৫ দিন আগে
দেশে হামে আক্রান্ত শিশুদের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তাদের ৭৪ শতাংশই কোনো টিকা পায়নি। এ ছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে ১৪ শতাংশ টিকার মাত্র একটি ডোজ পেয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরে হাম পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়।
 

ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, হামের সংক্রমণ রোধে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ৬১ শতাংশ। তবে কোনো শিশুই টিকার বাইরে থাকবে না।


ডিজি হেলথ জানান, দেশে হাম সংক্রমণের যে ‘পিক’ বা সর্বোচ্চ পর্যায় চলছে, তা দ্রুতই উন্নতির দিকে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যে ৩০টি উপজেলাকে ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করে টিকাদান শুরু হয়েছিল, সেখানে সংক্রমণ এরইমধ্যে কমতে শুরু করেছে।
 

আরও পড়ুন: বিগত দুই সরকার সময়মতো হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী


হামে আক্রান্ত রোগীদের এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে না ঘোরার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। মহাপরিচালক বলেন, সব হাসপাতালেই আইসোলেশন ব্যবস্থা চালু আছে, তাই স্থানান্তরের প্রয়োজন নেই। এদিকে রুটিন ইপিআই টিকা আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে আসবে বলেও জানান তিনি।


হামের পাশাপাশি ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি জানান, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত আন্তঃমন্ত্রণালয় যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে। সমন্বিত প্রচেষ্টায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের প্রস্তুতি চলছে।
 

উল্লেখ্য, গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ২২৭ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৪৭ শিশু।

 

আরও পড়ুন: চলতি মাসে হামের রোগী বেড়েছে দ্বিগুণ

 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৩৫ হাজার ৯৮০ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৪ হাজার ৩১০ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ২০ হাজার ৮২২ শিশু বাড়ি ফিরেছে।

 

গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে ৪ হাজার ৯৪৪ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন