হামাসের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠক 'খুব সহায়ক' ছিল, বললেন ট্রাম্পের দূত

৩ সপ্তাহ আগে
ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি বিষয়ক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দূত অ্যাডাম বোয়েলার রবিবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-চিহ্নিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে গত সপ্তাহে জিম্মি নিয়ে তার বৈঠক "খুব সহায়ক" ছিল এবং “কয়েক সপ্তাহের মধ্যে” জিম্মিরা মুক্তি পেতে পারে। হামাস কিছু জিম্মিকে গাজায় আটকে রেখেছে। সিএনএনের “স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন” অনুষ্ঠানে বোয়েলার বলেন, “আমার মনে হয়, এমন একটা চুক্তি হতে পারে যাতে সমস্ত জিম্মিকে মুক্ত করা যেতে পারে।” তিনি বলেন, “আমি অবশ্যই মনে করি, আশা রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি সামরিক চুক্তির মতো কিছু আপনারা দেখতে পারেন।” ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে হামলা চালিয়ে হামাস যাদের জিম্মি করেছিল তাদের মধ্যে এখনও ২৪ জন জীবিত রয়েছেন; এই হামলার পরেই ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হয়। এই গোষ্ঠী আরও ৩৪ জনের মৃতদেহ আটকে রেখেছে; হয় তাদের প্রাথমিক হামলায় অথবা বন্দি করে রাখা অবস্থায় হত্যা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ২০১৪ সালে নিহত এক সৈন্যের দেহাবশেষও তাদের কাছে রয়েছে। ফিলিস্তিনি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে আরও বৈঠকের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেননি বোয়েলার। ইসরায়েলের বিরোধিতা সত্ত্বেও হামাস নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের দূত বৈঠক করেছেন। ইসরায়েলকে ধ্বংস করাই হামাসের দৃঢ় লক্ষ্য। বোয়েলার বলেন, হামাসের সঙ্গে তার সরাসরি বৈঠক নিয়ে ইসরায়েলি কর্মকর্তা রন ডেরমার যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তা তিনি বুঝেছেন। বোয়েলার জোর দিয়ে বলেছেন, তার এই বৈঠকে স্পষ্ট লক্ষ্য ছিল এবং তা হল, মেয়াদোত্তীর্ণ যুদ্ধবিরতিকে সম্প্রসারিত করার পথ অনুসন্ধান করা ও যুদ্ধ বন্ধ করা; এই যুদ্ধে হামাসের প্রাথমিক হামলায় ১২০০ জন নিহত হয়েছে এবং ইসরায়েলের পাল্টা আক্রমণে ৪৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। বোয়েলার বলেছেন, “আমি মনে করি, এটা খুবই কার্যকর বৈঠক ছিল। সবার বক্তব্য শোনার ক্ষেত্রে এটা সহায়ক হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্র। আমরা ইসরায়েলের এজেন্ট নই।” যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৭ সালে হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে। ইসরাইল, মিশর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাপানও হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করে।
সম্পূর্ণ পড়ুন