দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় বুধবার (৭ জানুয়ারি) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো।
বছরে পৌনে ৪০০০ হত্যা মামলা- দৈনিক কালের কণ্ঠের সংবাদ এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক সহিংসতায় খুনাখুনি বেড়েছে। গত এক বছরে দেশে শুধু রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ১৩৩ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে সাত হাজার ৫১১ জন। গত বছর দেশে প্রায় পৌনে চার হাজার হত্যা মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ সদর দফতর ও মানবাধিকার সংস্থা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে মব সহিংসতা ও গণপিটুনিতে ১৬৮ জন নিহত এবং আহত হয়েছে ২৪৮ জন। হত্যা, নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন ৫৩৯ জন সাংবাদিক। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অপরাধবিষয়ক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশে হত্যা, ডাকাতি, দস্যুতা, মব সন্ত্রাসের ঘটনা বেড়েছে।
হাদি হত্যার চার্জশিট : ১৭ জন আসামি/ হত্যার পরিকল্পনা সিঙ্গাপুরে - দৈনিক যুগান্তরের প্রধান খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক মাসের মাথায় এসে মঙ্গলবার আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। চার্জশিটে ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হলেও হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। বলা হয়েছে, রাজনৈতিক কারণেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, হাদি হত্যার ছক চূড়ান্ত হয় সিঙ্গাপুরে বসে। হত্যা পরিকল্পনার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক এমপি ইলিয়াস মোল্লা, সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম বাপ্পী এবং হত্যায় সরাসরি অংশ নেয়া শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ। এ হত্যার নীলনকশা প্রণয়নে দেশি-বিদেশি একাধিক গ্রুপ সক্রিয় ছিল।
অভিযানের মধ্যেও খুনোখুনি, নিরাপত্তার শঙ্কা বাড়ছে - দৈনিক সমকালের প্রধান খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন বছরের প্রথম ছয় দিনে আলোচিত আটটি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে পাঁচজনকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা। তাদের মধ্যে দুজনের মাথা টার্গেট করা হয়। আরেকজনের ঘাড়ে গুলি করা হয়েছে। বাকি পাঁচজনের মধ্যে একজনকে কুপিয়ে ও দুজনকে শ্বাসরোধে মারা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে খুনোখুনি ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনও সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছেনি। রাজনৈতিক বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার, ব্যক্তিগত শক্রতাকে কেন্দ্র করে প্রাণ ঝরছে। নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা গভীর হচ্ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
পুলিশের নজরদারিতে ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসীরা - দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এ অবস্থায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জামিনে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গতিবিধি এবং সম্ভাব্য কার্যক্রম নিবিড়ভাবে নজরদারিতে রেখে গ্রেফতারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।
পুলিশের অভিযোগপত্র নিয়ে প্রশ্ন ইনকিলাব মঞ্চের - দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একজন ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে খুন করা হয়েছে, এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। তিনি দাবি করেন, এই খুনের সঙ্গে একটি পুরো চক্র এবং রাষ্ট্রযন্ত্রও জড়িত। পুলিশের অভিযোগপত্র তারা মানেন না।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে 'মার্চ ফর ইনসাফ' কর্মসূচি শেষে আবদুল্লাহ আল জাবের এ কথাগুলো বলেন। এর আগে বিকেল চারটায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার তদন্ত শেষে মোট ১৭ জনের....।
সালমান এফ রহমানের পতন হয়েছে, তবে বেক্সিমকো ফার্মা ভালোভাবে টিকে আছে - দৈনিক বণিক বার্তার প্রধান খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় দেড় বছর ধরে কারাগারে রয়েছেন বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমান। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টার পদে থাকা এ ব্যবসায়ীর মালিকানাধীন কোম্পানির সংখ্যা ২০০টির বেশি। এসব কোম্পানির নামে দেশের কয়েক ডজন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেয়া হয়েছে ৮০ হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ। নামে-বেনামে থাকা এসব কোম্পানির বেশির ভাগ এখন বন্ধ।
খেলাপি হয়ে গেছে কোম্পানিগুলোর নামে থাকা ব্যাংক ঋণও। কর্মহীন হয়েছেন এসব প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত কর্মীরা। কিন্তু এ রকম শত কোম্পানির ভিড়ে একমাত্র ব্যতিক্রম বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। সালমান এফ রহমানের পতন ও অনুপস্থিতি সত্ত্বেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিটির আয় ও মুনাফা দুটোই বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ।

১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·