বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) তাকে আটক করে।
হাজি ব্যাগ থেকে উদ্ধার করা এই স্বর্ণের বাজারমূল্য কয়েক লাখ টাকা। এ ছাড়া তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি ও বিদেশি মুদ্রা জব্দ করা হয়েছে।
এপিবিএন সূত্র জানায়, বেলা সোয়া ১১টার দিকে বিমানবন্দরের আগমনী ২ নম্বর ক্যানোপি এলাকায় সন্দেহজনক ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় গিয়াস উদ্দিনকে। তার গতিবিধি অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় এপিবিএন সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অফিসে নিয়ে যান। সেখানে তল্লাশি চালালে তার গলায় ঝোলানো হাজিদের বিশেষ ব্যাগ থেকে বের হয়ে আসে ৫৮ ভরি (৬৮০ গ্রাম) স্বর্ণালংকার। উদ্ধারকৃত এসব স্বর্ণের মান ২১ ক্যারেট।
স্বর্ণের পাশাপাশি তার কাছ থেকে ৭৭ হাজার ৫৫০ বাংলাদেশি টাকা এবং ১৬ হাজার ১২৫ সৌদি রিয়াল জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার নতুন ইতিহাস, দাম বাড়বে দেশেও?
আটক গিয়াস উদ্দিন জানান, তিনি ওমরাহ হাজিদের মোয়াল্লেম হিসেবে সৌদি আরব গিয়েছিলেন এবং আজ সকালেই ওমরাহ শেষ করে দেশে ফেরেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি অত্যন্ত সুকৌশলে বিভিন্ন হজযাত্রীর মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এই স্বর্ণ দেশে নিয়ে আসেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি বিমানবন্দরে সক্রিয় একটি আন্তর্জাতিক স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেটের অন্যতম ‘রিসিভার’ হিসেবে কাজ করছিলেন।
আটক গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫(বি) ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অপারেশনাল কমান্ডার ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, ‘স্বর্ণ চোরাচালানকারীরা নিয়মিত রূপ পরিবর্তন করে অপরাধ করার চেষ্টা করে। কখনও হজযাত্রী, কখনও-বা মোয়াল্লেম সেজে তারা পার পাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে যে কোনো ধরনের চোরাচালান ও অপরাধ রোধে এপিবিএন সবসময় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।’

৪ সপ্তাহ আগে
৭







Bengali (BD) ·
English (US) ·