‘ময়ূরী নারী’ নামের জাহাজটি গত ১১ মার্চ হরমুজ প্রণালীতে হামলার মুখে পড়ে। ওই ঘটনায় জাহাজের তিনজন নাবিক নিখোঁজ হন এবং এখনও তাদের খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম ও ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, জাহাজটি কেশম দ্বীপের রামচাহ গ্রামের কাছে গিয়ে আটকে পড়েছে।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বে সরবরাহ করা মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ পরিবহন হয়। সংঘাতের আগে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ছিল। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে প্রাণালীটি কার্যত বন্ধ করে দেয় ইরান।
আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালী দিয়ে মালয়েশিয়ার জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিলো ইরান
তেহরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়—এমন জাহাজের জন্য প্রণালী খোলা আছে। তবে তেহরান এই জলপথে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার কথা বলছে। সম্প্রতি বাংলাদেশসহ কয়েকটি ‘বন্ধুপ্রতীম দেশের’ জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে তেহরান।
ইরান সতর্ক করে বলেছে, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্র দেশগুলোর জাহাজগুলোর হামলা চালানো হবে। রয়টার্সের প্রতিবেদন মতে, হরমুজে এখন পর্যন্ত ছয়টি জাহাজ ইরানের হামলার শিকার হয়েছে। থাইল্যান্ডের জাহাজটি সেগুলোর একটা।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র সদৃশ বস্তুর আঘাতে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। পরবর্তীতে ওমানি নৌবাহিনীর দ্রুত উদ্ধার অভিযানে জাহাজের ২০ জন নাবিককে সরিয়ে নেয়া সম্ভব হলেও ৩ জন নিখোঁজ হন।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৪







Bengali (BD) ·
English (US) ·