জাহাজটির নাম ‘এইচএমএম নামু’। জাহাজটি সোমবার (৪ মে) রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উম আল কোয়াইন উপকূলের বাইরে নোঙর অবস্থায় থাকাকালে এ ঘটনা ঘটে।
জাহাজটিতে মোট ২৪ জন নাবিক ছিলেন, যার মধ্যে ৬ জন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক এবং ১৮ জন বিদেশি। ঘটনার পর সবাইকে নিরাপদে পাওয়া গেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্র ও মৎস্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাহাজটির ইঞ্জিন রুমের বাম পাশে বিস্ফোরণের চিহ্ন দেখা গেছে। কাছাকাছি থাকা একটি জাহাজ থেকে প্রথমে এ তথ্য জানানো হয়। বর্তমানে জাহাজটি সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: হরমুজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো পরিকল্পনা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বলে ধরা হবে: ইরান
ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি কোনো বাহ্যিক আঘাত বা ভাসমান সমুদ্র মাইনের কারণে ঘটতে পারে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।
বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বেড়েছে। ইরান ও ওমানের মাঝে অবস্থিত এই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের জ্বালানি পরিবহন হয়। ফলে এ ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক বাজার ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
]]>
১ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·