যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসন শুরুর পরই হরমুজ প্রাণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। এই অবরোধ এখনও অব্যাহত রয়েছে। কোনো জাহাজ গেলেই চালানো হচ্ছে হামলা।
বিশ্বের প্রায় এক পঞ্চমাংশ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সাধারণত এই সংকীর্ণ পানিসীমা দিয়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইরানের হামলা ও নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ঘোষণার পর এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় থমকে গেছে। ফলে বিপাকে পড়েছে ইউরোপ।
ইউরোপীয় দেশগুলোর সরকার উদ্বিগ্ন যে দীর্ঘস্থায়ী পথ অবরোধে ব্যবসা ও দৈনন্দিন ব্যয় বেড়ে যেতে পারে। বছরের শুরুতে যেখানে তেলের দাম ছিল প্রায় ৬০ ডলার, এখন তা প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। একই সময়ে ইউরোপীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও ৭৫ শতাংশ বেড়েছে।
আরও পড়ুন: ‘প্রয়োজন হলে’ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পাহারা দেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন মতে, ফ্রান্স ও ইতালি ছাড়াও ইউরোপীয় রাজধানীগুলো আলোচনা করছে যেন তেল ও গ্যাস রফতানি আবার চালু হয়, কিন্তু সংঘাত বাড়ানো না হয়। তবে এখনও কোনো নিশ্চয়তা নেই যে ইরান আলোচনা করতে রাজি হবে বা আলোচনায় অগ্রগতি হবে।
ইতালি, ফ্রান্স ও গ্রিস ‘ইইউ অ্যাসপাইডস মিশনের’ অংশ হিসেবে লোহিত সাগরে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে। তবে কোনো ইউরোপীয় নৌবাহিনী এখনও হরমুজে জাহাজ এসকর্ট তথা পাহারার জন্য প্রস্তুত নয়।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রাণালী দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোকে পাহারা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাবে। ইরান যুদ্ধের ১৪তম দিন আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেছেন।
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·