রোববার (২৬ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা ও দুটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র চাপ প্রয়োগ করে বা হুমকি দিয়ে ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসাতে পারবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে টেলিফোনে তিনি বলেন, বর্তমান মার্কিন পদক্ষেপগুলো ওয়ামিংটন-তেহরানের মধ্যকার পারস্পরিক আস্থা নষ্ট করছে ও সংলাপের পথ আরও জটিল করে তুলছে।
আরও পড়ুন: যুদ্ধের ক্ষত না শুকাতেই মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের ‘বাণিজ্যিক কূটনীতি’!
অন্যদিকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে অনড় অবস্থার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই যুদ্ধে জয়ী হওয়া থেকে কোনো কিছুই তাকে আটকাতে পারবে না। যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে ইরানের তেল অবকাঠামো আগামী তিন দিনের মধ্যেই মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প।
রোববার ফক্স নিউজে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অবরোধের কারণে ইরান তেল জাহাজে তুলতে পারছে না, যে কারণে পাইপলাইনে জমে থাকা তেলের চাপ থেকে যে কোনো সময় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।
আরও পড়ুন: হামলাকারীর ‘সম্ভাব্য’ টার্গেট ছিলেন ট্রাম্প ও অন্যান্য কর্মকর্তারা: ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল
রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মধ্যে ফোনালাপ হয়। এসময় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালু করার জরুরি প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
এত হুমকি-ধামকির মাঝেও আলোচনার পথ এখনো বন্ধ হয়নি বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে মার্কিন দূতদের ইসলামাবাদ সফর বাতিল করেন তিনি। তবে, দুই দেশের আলোচনা ফোনকলের মাধ্যমে হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
]]>
৬ ঘন্টা আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·