অস্কার জয়ী সিনেমাটি পুনঃমুক্তি হবে বিশেষ ফরম্যাটে—আইম্যাক্স, রিয়েলডি থ্রিডি, ফোরডিএক্স এবং ডি বক্সে। দর্শকরা এই খবর পাওয়ার পর অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
১৯৭৫ সালের ২০ জুন মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জস’ সিনেমাটিই ছিল স্পিলবার্গের ক্যারিয়ারের বড় মোড় ঘোরানো কাজ।
আরও পড়ুন: ইসরাইল সমর্থনই কী ‘স্নো হোয়াইট’ ফ্লপের কারণ?
চলচ্চিত্র ইতিহাসে এই সিনেমাটিকে একটি যুগান্তকারী ছবি বলা হয়। সমুদ্রের গভীর থেকে উঠে আসা এক ভয়ঙ্কর হাঙরের ত্রাসের গল্প দর্শকদের যেমন শিহরিত করেছিল, তেমনি বক্স অফিসেও তুলেছিল রেকর্ড সাফল্য।
মাত্র ৯ মিলিয়ন ডলার বাজেটে নির্মিত ছবিটি বিশ্বব্যাপী আয় করেছিল ৪৭০ মিলিয়ন ডলার, যা সে সময়ের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়। সাগরে ত্রাস ছড়ানো এক হাঙরকে ঘিরে নির্মিত এ থ্রিলার শুধু দর্শককেই নয়, বক্স অফিসেও ঝড় তোলে।
চলচ্চিত্রটির হাত ধরেই শুরু হয়েছিল ‘সামার ব্লকবাস্টার’ ধারণা। হলিউডে গ্রীষ্মকালীন ছুটিকে কেন্দ্র করে বড় বাজেটের ছবি মুক্তির ধারা জনপ্রিয় করে তোলে এ সিনেমা।
‘জস’ ছিল স্টিভেন স্পিলবার্গের পরিচালিত দ্বিতীয় ছবি। ছবিটি তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিলেও শুরুটা একেবারেই সহজ ছিল না।
আরও পড়ুন: অল্প বাজেটের হরর সিনেমা ‘ওয়েপনস’ নিয়ে এত হইচই কেন?
কখনও বাজেট বেড়ে যাওয়া, কখনও শুটিং চলাকালীন যান্ত্রিক হাঙরের ত্রুটি কিংবা পরিচালকের অসুস্থতার মতো বাধা বিপত্তি প্রায় থামিয়ে দিয়েছিল প্রযোজনা সংস্থা। শেষ পর্যন্ত ইউনিভার্সাল স্টুডিওর এই ছবি মুক্তি পেয়ে ঝড় তোলে বিশ্বজুড়ে।