মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মতে, বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। হামলায় একাধিক ড্রোনও ব্যবহার করা হয়।
এতে সেনারা আহত হন। হামলায় কিছু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সূত্রের বরাতে জানিয়েছে এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্সেস ম্যাগাজিন। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর একজন মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, কয়েকটি রিফুয়েলিং (জ্বালানি ভরার) বিমান এবং একটি ই-৩ সেন্ট্রি এডাব্লিউএসিএস (আকাশে নজরদারি ও কমান্ড বিমান) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি ছবিতে ই-৩ বিমানের বড় ধরনের ক্ষতি দেখা গেছে। তবে সেটা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি বলে জানিয়েছে এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্সেস ম্যাগাজিন।
আরও পড়ুন: ইরানকে ঠেকাতে সৌদির সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর ইউক্রেনের
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ৩০০ জনের বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। এছাড়া এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এর আগে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, আহত ৩০০ জনের মধ্যে ২৭৩ জন ইতিমধ্যে আবার দায়িত্বে ফিরে গেছেন।
পরমাণু ইস্যুতে তেহরানের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে ইরানে যৌথ সামরিক আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ওইদিন তেহরানে বিমান হামলায় খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হন।
প্রতিশোধ হিসেবে ইরান ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর পাল্টা হামলা শুরু করে। ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি মানববিহীন ড্রোন ব্যবহার করে এসব হামলা চালানো হচ্ছে যা ঠেকাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে দেশগুলো।
আরও পড়ুন: হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের মিত্র দেশগুলোকে আইআরজিসির হুঁশিয়ারি
এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে উপসাগরীয় দেশগুলোকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ইউক্রেন। দেশটি গত প্রায় বছর ধরে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করছে। যেখানে তাদেরকে ইরানের অত্যাধুনিক শাহেদ-১৩৬ ড্রোন মোকাবেলা করতে হচ্ছে।
]]>
১৬ ঘন্টা আগে
২







Bengali (BD) ·
English (US) ·