সৌদি আরবে যুদ্ধবিমান মোতায়েন পাকিস্তানের

১ দিন আগে
সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান এবং সহায়ক বিমান মোতায়েন করা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে বিমানগুলো এরই মধ্যে ঘাঁটিতে অবতরণ করেছে। সৌদি কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসানে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে সৌদি আরবে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান মোতায়েনের খবর এলো। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কিং আব্দুল আজিজ এয়ার বেসে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান মোতায়েন হয়েছে।

 

বিবৃতি মতে, এই মোতায়েনের উদ্দেশ্য হলো যৌথ সামরিক সমন্বয়কে শক্তিশালী করা এবং দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে অপারেশনাল প্রস্তুতির মাত্রা বাড়ানো, যাতে আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাকে সমর্থন করা যায়। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

 

গত বছরের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে উভয় দেশ একে অপরের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনকে নিজেদের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করার অঙ্গীকার করে।

 

আরও পড়ুন: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধিদলের বৈঠক

 

পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শমূলক মোতায়েনসহ সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে। অন্যদিকে সৌদি আরবও অর্থনৈতিক সংকটের সময়ে পাকিস্তানকে আর্থিকভাবে সমর্থন জানাতে বারবার এগিয়ে এসেছে।

 

পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরবের অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাদান দেশটির প্রতি অর্থনৈতিক সমর্থন প্রদর্শন করতে এই মুহূর্তে পাকিস্তানে রয়েছেন।

 

২০১৮ সালে রিয়াদ পাকিস্তানের জন্য ৬০০ কোটি ডলারের একটি সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করে, যার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ৩০০ কোটি ডলারের আমানত এবং বিলম্বিত পরিশোধের ভিত্তিতে ৩০০ কোটি ডলার মূল্যের তেল সরবরাহ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

 

আরও পড়ুন: ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইরানের প্রতিনিধিদলের বৈঠক

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন