বুধবার (২ এপ্রিল) রাতে এ ঘোষণা দেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতারা।
এ বিষয়ে পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিভাগীয় সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী সময় সংবাদকে জানান, কিছু কিছু মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা নিয়ে। তবে রাত থেকে শুরু করে এখন অবদি পর্যন্ত ধর্মঘট প্রত্যাহারের কোনো সিন্ধান্ত দেয়া হয়নি ধর্মঘট চলমান রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১টায় প্রশাসনের সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠক করার কথাও জানান জুবায়ের আহমদ চৌধুরী।
আরও পড়ুন: রংপুরে তিন দফা দাবিতে পেট্রলপাম্প মালিকদের ধর্মঘট
জানা যায়, বুধবার দুপুরে নগরের একটি পেট্রোল পাম্পে অভিযান চালিয়ে অতিরিক্ত পেট্রোল মজুদের অভিযোগে জরিমানা করে জেলা প্রশাসন। এর পরপরই ধর্মঘটের ঘোষণা আসে।
জুবায়ের আহমদ চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, ‘মোবাইল কোর্টের অভিযানের নামে পেট্রল পাম্পগুলোতে নিয়মিত হয়রানি ও চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। এমনিতেই চাহিদা মতো জ্বালানি তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না, তার ওপর প্রতিদিন অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হলে ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব নয়।’
আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে পেট্রলপাম্পে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার
এদিকে পাম্প মালিক সংগঠনের একাধিক নেতার অভিযোগ, শুধু জরিমানা নয়, জ্বালানি বিক্রিতে প্রশাসনের বিভিন্ন বাধ্যবাধকতা ও ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ, ডিপোতে বিজিবি মোতায়েনসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পাম্প মালিকরা; পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অসহযোগিতার অভিযোগও তোলেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
এর আগে বুধবার দুপুরে সিলেট নগরের এ অ্যান্ড এ অ্যাসোসিয়েটস নামে একটি পেট্রল পাম্পে অভিযান চালিয়ে সরকার নির্ধারিত পরিমাণের বেশি পেট্রল মজুদ রাখার দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সিলেট জেলা প্রশাসন ও র্যাবের যৌথ অভিযানে এই জরিমানা আদায় করা হয়।
ধর্মঘটের কারণে সিলেটে জ্বালানি সরবরাহে ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন সাধারণ ভোক্তারা।

২ সপ্তাহ আগে
৩







Bengali (BD) ·
English (US) ·