পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংসের ৩৯তম ওভারের ঘটনা। সালমান আগা এবং মোহাম্মদ রিজওয়ানের শতাধিক রানের জুটিতে পাহাড়সম সংগ্রহের দিকে এগোচ্ছিল পাকিস্তান। নিজের শেষ ওভারে এমন সময় বোলিংয়ে এসে রানের লাগাম টেনে ধরেন মিরাজ। একই ওভারে রিজওয়ানকে রিশাদ হোসেনের ক্যাচ বানানোর পাশাপাশি সালমানকে করেন রানআউট।
তবে এই রান আউটটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। ওভারের চতুর্থ বলে মিরাজের লেন্থ বলটা অন্য প্রান্তে থাকা ব্যাটার আগার দিকে আলতো করে ঠেলে দেন রিজওয়ান। নিজের ডানে সরে গিয়ে পা দিয়ে বলটা ঠেকান মিরাজ। বল গিয়ে লাগে সালমানের প্যাডে। নিচু হয়ে বলটা তুলে মিরাজকে দিতে যান সালমান। এমন সময় মিরাজ বল তুলে নিয়ে আন্ডার আর্ম থ্রোয়ে সালমানকে রানআউট করেন।
ঘটনার আকস্মিকতায় সালমান কিছুটা অবাক হন। এগিয়ে গিয়ে মিরাজকে হয়তো বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন যে, তিনি বলটাকে ডেড ধরে নিয়েছিলেন। তবে মিরাজ নিজের আবেদনে অটুট থাকেন। আম্পায়ারও সেই আবেদন আমলে নিয়ে থার্ড আম্পায়ারের কাছে পাঠান। বল স্টাম্পে লাগার সময় সালমান ক্রিজের বাইরে থাকায় তৃতীয় আম্পায়ার আউটের ঘোষণা দেন।
আরও পড়ুন: শেষ দিকে ধস নামিয়ে পাকিস্তানকে ২৭৫ রানে অলআউট করল বাংলাদেশ
এর পরিপ্রেক্ষিতেই সালমানের ওই অভিব্যক্তি। রিজওয়ান তাকে শান্ত করেন। এরপর ডাগআউটে যাওয়ার পথে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের কী একটা মন্তব্য করেন তিনি। সেই মন্তব্যে ক্ষেপে যান লিটন দাস। আম্পায়ার এবং রিজওয়ান মিলে তাকে শান্ত করেন।
এই ঘটনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ বলছেন এটা ক্রিকেটীয় চেতনার পরিপন্থী। তাদের মতে, সালমান হয়তো চাইলে ক্রিজে ফিরতে পারতেন। সে মিরাজকে সহায়তা করতেই বলটা এগিয়ে দিতে গিয়েছিল। আরেক দলের মতে, আগার আচরণে ক্রিকেটীয় জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা ছিল। কারণ বল তখনও ডেড হয়নি। মিরাজ তাকে নিয়মের মধ্যে থেকেই আউট করেছেন।
সালমানের এই রানআউটেই খেলার মোড় ঘুরে গেছে। ১০৯ রানের জুটি গড়ে সালমান দলীয় ২৩১ রানে আউট হন। ২৭৪ রান উঠতে উঠতে পাকিস্তান বাকি ৬টি উইকেট হারিয়ে ফেলে।

৪ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·