নোটিশে বলা হয়েছে, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও শালীনতা পরিপন্থী বক্তব্যের কারণে অ্যাডভোকেট নাজমুস সাকিবকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না—সে বিষয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে এনএলএ-এর পক্ষ থেকে আলাদা একটি সাংগঠনিক আদেশে জানানো হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয় নিষ্পত্তির লক্ষ্যে একটি তদন্ত উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অ্যাডভোকেট মোস্তফা আজগার শরীফীকে।
নাজমুস সাকিব দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির রাজনৈতিক জোটের বিরোধিতা করে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়ে আসছেন। সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে নিয়ে দেওয়া এক বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমকে ‘বেয়াদব’ বলে সম্বোধন করেন তিনি।
আরও পড়ুন: গণভোটে ‘না’ মানে দিল্লির দালালদের পক্ষে দাঁড়ানোর শামিল: সাদিক কায়েম
এই ঘটনায় রাজনৈতিক ও পেশাজীবী অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
অ্যাডভোকেট নাজমুস সাকিব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। তিনি কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসন থেকে এনসিপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।

২ সপ্তাহ আগে
২






Bengali (BD) ·
English (US) ·