শনিবার (২৪ জানুয়ারি) আসিফ আকবর সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাকিবের সঙ্গে অনেকদিন ধরে যোগাযোগ করেছি, সে চায় দেশ থেকে বিদায় নিতে। সেটা আমরা শুনেছি, যার কারণে বিবেচনা করেছি। সরকারের সঙ্গে কথা হয়েছে। আবার যদি নতুন সরকার এসে না চায় তাহলে কিছু করার থাকবে না। কিন্তু আমরা (বিসিবি) চাই সাকিব আবার খেলুক।
বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর আরও বলেন, ‘সাকিবের ব্যক্তিগত ইস্যুগুলো কীভাবে কী হবে এটা আলাদা ব্যাপার, সরকারের বিষয়। আমরা বোর্ডের পক্ষ থেকে সাকিবকে চেয়েছি। আমাদের বোর্ডের যে চুক্তিবদ্ধ প্লেয়ারদের তালিকা হবে, সেখানে আমরা সাকিবকে (রাখার) প্রস্তাব রেখেছি। সাকিব দেশে এসে রিটায়ার করবে এটা তার একটা ইচ্ছা। সাকিব একটা ব্র্যান্ড, এমন প্লেয়ার আমরা আর ১০০ বছরেও পাব না।’
আরও পড়ুন: জাতীয় দলের হয়ে খেলার অনুমতি পেলেন সাকিব
‘বোর্ডের চুক্তিবদ্ধ প্লেয়ারদের লিস্ট যখন করা হয়, তখন একজন পরিচালক … সাকিব দেশ থেকে অবসরে যেতে চায়, সাকিবের প্রতি যে ভালোবাসা বাংলাদেশের মানুষের। সাকিব ইচ্ছা পোষণ করায় আমরা আলোচনা করেছি এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছি তার ফিটনেস ঠিক থাকলে (আমরা বিবেচনা করব)।’
আসিফ আরও বলেন, ‘এখন যদি সরকার কিছু করতে চায়, তাহলে সেটা সরকারি সিদ্ধান্ত। সেগুলো আইনগত ব্যাপার। সাকিব আগে প্লেয়ার ছিল, সংসদ সদস্য হওয়ার আগে। সাকিবের বুকে বাংলাদেশের নাম ছিল। সেখান থেকে সম্মান রেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছে (ক্রিকেট বোর্ড)। সাকিবকে আমরা খেলাতে চাই। পরে আইনগত পদক্ষেপ কী এটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় না। আমরা প্লেয়ার সাকিবকে নিয়ে (ভাবছি)।’
আরও পড়ুন: বিসিবি পরিচালক ইশতিয়াক সাদেকের পদত্যাগ
অনেকেই ধরেই নিয়েছিলেন যে, সাকিবের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অধ্যায় হয়তো শেষ। ২০২৪ সালে মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ দিয়ে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। সেই কাজ করতে দুবাই পর্যন্ত চলে এসেছিলেন সাকিব। তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতির কারণে বিসিবিকে সাকিবের দেশে না ফেরার ব্যাপারে পরামর্শ দেন তখনকার যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। দুবাই পর্যন্ত এলেও পরে আর ঢাকার বিমানে ওঠেননি সাকিব আল হাসান। এরপর থেকেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর খেলা হয়নি সাকিবের।
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৫







Bengali (BD) ·
English (US) ·