সরবরাহ বাড়লেও কমেনি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সবজির দাম

৫ দিন আগে
নেত্রকোনার বাজারগুলোতে শীতকালীন সবজির সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় কয়েকটি সবজির দাম কমেছে। তবে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বেশ কিছু সবজির দাম এখনো তুলনামূলকভাবে বেশি রয়েছে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে নেত্রকোনার মেছুয়া পাইকারি সবজি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশীয় প্রায় সব ধরনের সবজির কেজি প্রতি দাম ৫০ টাকার ওপরে। তবে জেলার বাইরে থেকে আসা সবজি— বিশেষ করে জামালপুর ও শেরপুরসহ আশপাশের জেলা থেকে সরবরাহ হওয়া সবজি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


বাজারে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শিমের দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। অন্যদিকে বাইরের জেলা থেকে আসা শিম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে বেগুন ও টমেটো। তবে স্থানীয় জাতের শিম, টমেটো ও বেগুনের কেজি ৫৫ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। জেলায় উৎপাদিত আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে।


বাঁধাকপি প্রতি পিস ১২ থেকে ১৫ টাকা, কেজি হিসাবে ১৮ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপির দাম প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা।


সবজি বিক্রেতারা দাম বেশি থাকার পেছনে শীতের তীব্রতাসহ নানা কারণ দেখালেও, সরাসরি বাজারে এসে বিক্রি করা কৃষকরা বলছেন উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়াই মূল কারণ।


আরও পড়ুন: রাজধানীতে ঊর্ধ্বমুখী সবজি-মুরগির দাম


আমতলা এলাকা থেকে আসা খুচরা বিক্রেতা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পাইকারি বাজার থেকেই যদি কপি ৩৫–৪০ টাকায় কিনতে হয়, তাহলে খুচরা বিক্রিতে ৫–১০ টাকা বাড়তি রাখতেই হয়।’


স্থানীয় কৃষক সিরাজ মিয়া জানান, তিনি নিজে স্থানীয় জাতের টমেটো উৎপাদন করে বাজারে বিক্রি করছেন।


তিনি বলেন, ‘উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।’


বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কৃষক ও বিক্রেতারা উৎপাদন ও পরিবহন খরচ কমানোর পাশাপাশি নিয়মিত সরবরাহ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেয়ার কথা জানান।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন