অতীতে সম্পর্কে জড়ানো মানেই মনে করা হতো সঙ্গীর সঙ্গে সব মতের মিল। কখনো কখনো সঙ্গীর মতামতকে সায় দেয়াও যেন সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক বলে মনে করা হতো। কিন্তু এমন সম্পর্ক বিয়েতে গড়াতেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা দেয় ভাঙনের সুর।
আর এ কারণে বাড়ছে ‘হট টেক ডেটিং’র জনপ্রিয়তা। অনেকের মনেই প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে, ‘হট টেক ডেটিং’ আসলে কী? ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুসারে আসুন দেরি না করে জেনে নিই এ সম্পর্ক নিয়ে বিশেষ কিছু তথ্য।
‘হট টেক ডেটিং’
‘হট টেক ডেটিং’ মানে নিজের মতামত প্রথমেই স্পষ্ট করে তুলে ধরা। রাজনীতি, সমাজ, লিঙ্গসমতা, ক্যারিয়ার, বিয়ে, সন্তান বা জীবন দর্শনের মতো বিষয় নিয়ে নিজের পরিষ্কার অবস্থান জানান দেয়া। এ ধরনের ডেটিংয়ে মুখোশ পরার কোনো জায়গা নেই। বরং শুরু থেকেই নিজে কেমন, সে সত্যিটা সামনের মানুষকে তুলে ধরাই হলো এ সম্পর্কের মূল উদ্দেশ্য।
এমন সম্পর্কের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো নিজস্ব সত্ত্বাকে মেলে ধরা। এ প্রবণতা নিজের সঙ্গে অন্যের বিভাজন তৈরি নয় বরং নিজের দৃষ্টিভঙ্গিকে স্পষ্ট জানান দেয়া।
নতুন এ ট্রেন্ড মনে করে সঙ্গীর সঙ্গে সব মিলে যাবে এমন নয়। বরং অমিল থাকলেও পার্থক্য মেনে নিতে কতোটা প্রস্তুত সে বিষয়টা খুঁজে বের করা। ভিন্ন ধারণার দুই মানুষকে যুক্তি-তর্ক মিলিয়ে শ্রদ্ধা করতে পারাটাই হট-টেক ডেটিংয়ের বৈশিষ্ট্য।
আরও পড়ুন: চাণক্য ও বুদ্ধ নীতিতে প্রকৃত বন্ধু চেনার ৭ উপায়
নতুন প্রজন্ম মনে করে সামান্য বিতর্ক, প্রশ্ন আর যুক্তি-তর্ক সম্পর্কের স্বাভাবিক অংশ। এসব প্রক্রিয়াকে কতোটা সহজভাবে গ্রহণ করা যায় হট টেক ডেটিংয়ে সেদিকেই দৃষ্টি থাকে।
আরও পড়ুন: ‘গ্রে ডিভোর্স’ কী, কেন বাড়ছে?
একে অন্যের সাথে বোঝাপড়ার স্পষ্ট ধরন, সম্পর্কের গভীরতা, দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্কে টিকে থাকার জন্য মূল্যবোধ ধরে রাখার বাস্তবতাই শেখায় হট-টেক ডেটিং। বর্তমানে এমন সম্পর্কের দিকেই ঝুঁকছে নতুন প্রজন্ম।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৪







Bengali (BD) ·
English (US) ·