সরজমিনে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শুক্রবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাত তিনটার পর থেকে একে একে ভিড়তে শুরু করে দক্ষিণাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চগুলো।
সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। পরিবারের সদস্যদের হাত ধরে, কাঁধে ও মাথায় ব্যাগ নিয়ে, দীর্ঘ যাত্রার ক্লান্তি চোখে নিয়েই ঘাটে নামেন যাত্রীরা। তবে ফিরতি যাত্রায় লঞ্চে তেমন ভোগান্তি না থাকলেও, যাত্রীদের দুর্ভোগ শুরু হয় ঘাটে নামার পর।
অতিরিক্ত যাত্রী, এবং ব্যাগপত্র সামলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে অনেককে। তবুও প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের সময় কাটানোর স্মৃতি যেন সেই কষ্টকে কিছুটা হলেও ম্লান করে দেয়।
আরও পড়ুন: ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ
যাত্রীরা জানান, লঞ্চে আসতে তেমন সমস্যা হয়নি, কিন্তু ঘাটে নামার পর থেকেই বিপত্তি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হচ্ছে। কোনো পরিবহন মিলছে না, আর যেগুলো আছে, সেগুলোও অতিরিক্ত ভাড়া চাচ্ছে।
সামাদ নামে এক যাত্রী বলেন, ‘পরিবার নিয়ে এসেছি, সঙ্গে ছোট বাচ্চা আছে। কিন্তু সিএনজি ও রিকশা চালকরা নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে দ্বিগুণ-তিনগুণ পর্যন্ত ভাড়া দাবি করছেন। বাধ্য হয়ে অনেকেই অপেক্ষা করছেন, কেউবা বেশি ভাড়া দিয়েই রওনা হচ্ছেন।’
পরিবহন সংকটের কারণে অনেক যাত্রীকেই ঘাট এলাকায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিয়ে পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। যাত্রীদের অভিযোগ, প্রশাসনের তদারকি থাকলে এভাবে বাড়তি ভাড়া আদায় করা সম্ভব হতো না। আমরা চাই দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হোক।
ভোগান্তি এড়াতে দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা। তাদের প্রত্যাশা, ঘাট এলাকায় পরিবহন ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি থাকলে ঈদ পরবর্তী এই দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে।
]]>
১৬ ঘন্টা আগে
২







Bengali (BD) ·
English (US) ·