র্যাব জানায়, নিহত মো. আক্তারুজ্জামান রুবেল (২৫) ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল তরফদারের ছেলে। প্রায় পাঁচ বছর আগে মোছা. জেসমিন খাতুনের (২৩) সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ চলছিল।
গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে পারিবারিক বিরোধের জেরে জেসমিন খাতুন বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে স্ত্রীকে আনতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে স্ত্রী জেসমিন, তার ভাই মিজানুর রহমান (৩৮) এবং আরও দুই-তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি মিলে রুবেলকে বাঁশের লাঠি, লোহার রড ও কাঠের টুকরো দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করেন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে রুবেলের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: চিকিৎসক সংকট ও অব্যবস্থাপনায় ধুঁকছে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল
এ ঘটনায় শনিবার (২৫ এপ্রিল) নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভুরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান।
পরে র্যাব-১৩ (রংপুর) ও র্যাব-১ (উত্তরা)-এর যৌথ অভিযানে বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে গাজীপুরের বাসন থানার কলম্বিয়া রোড এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মামলার ১ নম্বর আসামি শ্যালক মিজানুর রহমান ও ২ নম্বর আসামি স্ত্রী জেসমিন খাতুনকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় র্যাব-১৩ রংপুর।
রংপুর র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, ‘হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ সকল ধরনের গুরুতর অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
]]>
৪ দিন আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·