দিনের সফল বোলার মেহেদী হাসান মিরাজ ও রিশাদ হোসেন। দলপতি ২ উইকেট নিয়েছেন মাত্র ৩৪ রানের বিনিময়ে, ৫৬ রানে রিশাদের শিকার ৩। পাকিস্তানের পক্ষে ফিফটি করেছেন মাজ সাদাকাত ও সালমান আলী আগা।
আগের ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১৪ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে জিতেছিল। আজ জিতলে এক ম্যাচ হাতে রেখে মিরাজরা সিরিজ জিতবে। সিরিজ জিততে করতে হবে ২৭৫ রান।
মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে পাওয়ার প্লের ওভারগুলো করেছেন তিন পেসার তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা মিলে। আগের ম্যাচে নাহিদ বল হাতে নিয়েই উইকেট পেয়েছিলেন, প্রথম ৬ বলের মধ্যে উইকেট পাওয়া এই পেসার শিকার করেন শুরুর পাঁচটি উইকেট।
আজ উইকেট পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে নিজের চতুর্থ ওভার পর্যন্ত। ২০তম ওভারে শর্ট লেন্থের ডেলিভারিতে শামিল হুসাইনকে মোস্তাফিজুর রহমানের ক্যাচ বানান। অবশ্য তার আগেই বাংলাদেশ আরও দুই উইকেট তুলে নেয়। পাওয়ার প্লের পরপর মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার হন ৫ ছক্কা ও ৬ চারে ৭৫ রান করা সাদাকাত। ১৩ ওভারের মধ্যে তখন পাকিস্তানের বোর্ডে রান ১০৩। যার মধ্যে সাহিবজাদা ফারহানের অবদান ২১।
আরও পড়ুন: দ্য হান্ড্রেডে দল পেলেন মোস্তাফিজ
ফারহানকে ব্যক্তিগত ৩১ রানে শিকার করেন তাসকিন আহমেদ। শামিল ফেরেন দলীয় ১২২ রানে। ৩ উইকেট হারানোর এই ধাক্কা পাকিস্তান সামাল দেয় মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আগার ব্যাটে। তৃতীয় উইকেটে এই দুজন গড়েন ১০৯ রানের জুটি। ম্যাচের এ পর্যন্ত পাকিস্তানের দাপট ছিল, এরপর নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ।
সালমান ৬৪ রান করে বিদায় নেন ‘অপ্রত্যাশিতভাবে’। ৩৯তম ওভারের চতুর্থ বলে রিজওয়ান মিরাজকে সোজা খেলেছিলেন। বল চলে যায় ননস্ট্রাইকের সালমানের পায়ের কাছে। দাগের বাইরে দাঁড়ানো এই ব্যাটার নিচু হয়ে মিরাজের কাছে বল দিতে চেয়েছিলেন। তার আগেই মিরাজ বল ধরে স্টাম্পে ছুড়ে মারেন। বল ডেড না হওয়ায় আম্পায়ারও আউট দেন। সিদ্ধান্তটি নিয়ে আগা খুশি ছিলেন না। যার কারণে দুদলের খেলোয়াড়দের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা ছড়ায়।
আগা আউট হওয়ার একই ওভারের শেষ বলে ফিফটি থেকে ৬ রান দূরে থাকতে আউট হন রিজওয়ান। অষ্টম ওভার করতে এসে রিশাদ হোসেন তুলে নেন হুসাইন তালাতের উইকেট। একই ওভারে আবদুল সামান রানআউট হন। ৪৭.৩ ওভারের মধ্যে অলআউট হওয়া পাকিস্তান শেষ ৩ উইকেটে করে আর ২০ রান।

৪ সপ্তাহ আগে
৭








Bengali (BD) ·
English (US) ·