দুই হাজার বছরেরও আগে, ফিলিস্তিনের বেথলেহেম শহরে জন্ম যিশু খ্রিস্টের। মানবজাতিকে ভালোবাসা, ক্ষমা আর শান্তির পথ দেখাতেই তার এই আগমন, এমনটাই বিশ্বাস খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের।
একটি সাধারণ গোশালায় মা মেরির কোল আলো করে আগমন যিশু খ্রিস্টের। তাই গোশালায় জন্ম নেয়ার সেই গল্প আজও বড়দিনের মূল প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। রঙিন সাজে সাজানো চার্চগুলো যেন সেই ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি।
বড়দিনের আগে চার সপ্তাহের অপেক্ষার সময়কে বলা হয় আগমন কাল। এই সময় শুধু উৎসবের প্রস্তুতিই নয়, নিজেকে শুদ্ধ করার মধ্য দিয়েই বড়দিনকে স্বাগত জানান খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা।
আরও পড়ুন: বড়দিনের জনপ্রিয় চরিত্র ‘সান্তাক্লজ’ কে ছিলেন?
শুধু চার্চেই নয়, ঘরেও চলছে বড়দিন ঘিরে নানা প্রস্তুতি। আলো, তারা, ক্রিসমাস ট্রি-তে ছোট পরিসরে সাজিয়েছেন নিজেদের বাসস্থান। আর সঙ্গে বাহারি পিঠা। রাজধানীর এই পরিবারটির মতো খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী সবার ঘরে ঘরে এভাবেই বইছে উৎসবের আমেজ।
এদিকে, বড়দিন উপলক্ষে চার্চ ও পাশ্বর্বর্তী এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

৩ সপ্তাহ আগে
৬








Bengali (BD) ·
English (US) ·