প্রতিদিন ভোররাত থেকে সূর্য ওঠার আগ পর্যন্ত চলে রসের বেচাকেনা। মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে রসপ্রেমীরা ভিড় করেন এই হাটে।
স্থানীয় গাছি মো. আবদুল কুদ্দুস জানান, গভীর রাতে খেজুর গাছে হাঁড়ি বা প্লাস্টিকের বোতল কেটে ঝুলিয়ে ভোরের আগেই রস সংগ্রহ করা হয়। সূর্যের আলো লাগার আগেই রস বিক্রি শেষ করতে হয়, কারণ তখনই রস থাকে সবচেয়ে খাঁটি ও মিষ্টি।
আরেক গাছি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শীতের এই সময়টাই আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। খেজুরের রস বিক্রি করে সংসারের বাড়তি খরচ উঠে আসে।’
আরও পড়ুন: শীতকালে কোন মাসে যাবেন খেজুর গুড়ের দেশে?
ঢাকা থেকে রস কিনতে আসা ক্রেতা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘খাঁটি খেজুরের রসের জন্যই ভোরে কুয়াশা আর শীত উপেক্ষা করে এখানে আসি। বাজারের রসের সঙ্গে এই রসের কোনো তুলনা নেই।’
স্থানীয় ক্রেতা রাবেয়া খাতুন বলেন, ‘পরিবারের জন্য কয়েক লিটার রস নিয়েছি। শীতের সকালে এই রস যেমন সুস্বাদু, তেমনি শরীরের জন্যও ভালো।’
শীতের এই মৌসুমি হাট শুধু বেচাকেনার জায়গা নয়, বরং গ্রামীণ ঐতিহ্য ও জীবনযাত্রার এক জীবন্ত চিত্র হয়ে উঠেছে শ্রীনগরের খাহ্রা গ্রামের ভোরের খেজুরের রসের হাট।
প্রতি লিটার তাজা খেজুরের রস বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। আর গ্রামটিতে প্রতি দিন ৫০ থেকে ৬০ লিটার খেজুর রস বিক্রি হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

২ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·