শার্শায় গ্রাম্য চিকিৎসক হত্যা, দুই স্ত্রীসহ ৪ জন পুলিশি হেফাজতে

৩ সপ্তাহ আগে
যশোরের শার্শায় আলামিন হোসেন নামে এক গ্রাম্য ডাক্তারকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টার দিকে তারাবি নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে। হত্যার শিকার ডাক্তার আলামিন শার্শার গাতিপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

এদিকে হত্যাকান্ডের একদিন পার হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আলামিনের দুই স্ত্রীসহ ৪ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

 

জানা যায়, গ্রাম্য ডাক্তার আলামিন সেবা দানের জন্য বেশ প্রিয় ছিলেন স্থানীয় মানুষের কাছে। শার্শার নাভরন গাতিপাড়া বাজারে মিম মেডিকেল হল নামের একটি ফার্মেসির দোকানে বসতেন তিনি। সাংসারিক জীবনে দ্বিতীয় বিবাহকে কেন্দ্র করে অশান্তি নামে তার পরিবারে। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছুদিন আলামিনকে মারধর করে প্রতিবেশি এক যুবক।  আর এঘটনার কিছুদিন পর গতকাল রাতে দোকান বন্ধ করে নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে তার মটরসাইকেল গতিরোধ করে দুর্বৃত্তরা। পরে কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিত করে ফেলে রেখে যায়।  

 

পথচারীরা দেখতে পেয়ে পরিবারকে খবর দিলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। পুলিশ হত্যা রহস্য উৎঘাটনে পরিবারের অভিযোগে সন্দেহভাজন ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে। প্রাথমিক ধারণা দ্বিতীয় বিবাহ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাকে হত্যা করা হতে পারে।

 

আরও পড়ুন: যশোরে যুবদল নেতার বাসে অগ্নিসংযোগ, পাশে থাকা আরেকটি বাস ক্ষতিগ্রস্ত

 

আলামিনের চাচাতো ভাই রাজিব তার ভাইয়ের খুনিদের দ্রুত শনাক্ত করে আটকের দাবি জানান।

 

শার্শার নাভরন সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন জানান, প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে আলামিন পরবর্তী বিয়ে সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে।  সন্দেহ ভাজনদের হেফাজতে নিয়ে তথ্য উৎঘাটনের চেষ্টা চলছে।

 

 

 

 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন