বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বিকেলে বাংলা বিভাগ ও লোক প্রশাসন বিভাগের মধ্যে ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে ব্যাট করে বাংলা বিভাগ লোক প্রশাসন বিভাগকে ১৪৯ রানের লক্ষ্য দেয়। ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে একটি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে আম্পায়ারের সঙ্গে লোক প্রশাসন বিভাগের খেলোয়াড়দের মতবিরোধ দেখা দেয়। এতে সাময়িকভাবে খেলা বন্ধ থাকে। প্রায় ২০ মিনিট পর খেলা শুরু হলেও মাঠে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বিকেল সোয়া ৫টার দিকে মাঠের উত্তর পশ্চিম পাশে অবস্থানরত বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে স্লেজিং শুরু হলে বিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের সঙ্গে প্রথমে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তা দুই বিভাগের খেলোয়াড় ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে রূপ নেয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দুই দফায় সংঘর্ষ চলে। পরে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।
আরও পড়ুন: কাপাসিয়ায় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ
প্রক্টরিয়াল বডি সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। আহত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক আশরাফ সিদ্দিকী, প্রভাষক আব্দুল বাসিত, সহকারী প্রক্টর ওমর ফারুক ও জাহাঙ্গীর আলম। অধ্যাপক আশরাফ সিদ্দিকী ও প্রভাষক আব্দুল বাসিত বর্তমানে মাউন্ট অ্যাডোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অন্যদিকে, বাংলা বিভাগের আহত শিক্ষার্থীরা হলেন: ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মাহবুবুর রহমান, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের সোহানুর রহমান, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শাকিল শাহরিয়ার, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের নওশাদ খান, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মো. রাহুল এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের যশমন্ত মল্লিক। তাদের মধ্যে সোহানুর রহমান ও যশমন্ত মল্লিককে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
অপরদিকে, শাবিপ্রবির লোক প্রশাসন বিভাগের আহত শিক্ষার্থীরা হলেন: ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের রেদুয়ান করিম, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের সাজিদ আবরার, ফারদিন ইসলাম ও মাহফুজ, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নোহান ইমতিয়াজ এবং ইহসানুল হক মিলন। তাদের মধ্যে ফারদিন ইসলাম ও সাজিদ আবরার বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে কারও অবস্থাই আশঙ্কাজনক নয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১৫
এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘যাই ঘটুক, সবাই আমাদের শিক্ষার্থী। খেলা পরিচালনা কমিটি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান জানান, ‘প্রক্টরিয়াল বডি এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৬







Bengali (BD) ·
English (US) ·