শান্তি চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের অভিযোগের জবাবে যা বললেন জেলেনস্কি

১৪ ঘন্টা আগে
রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের শান্তি চুক্তি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেছেন, শান্তির পথে ইউক্রেন কখনও বাধা ছিল না এবং ভবিষ্যতেও হবে না। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে এক ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেন তিনি। খবর রয়টার্সের।

গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রয়টার্সকে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধের অবসানে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি আটকে রেখেছেন জেলেনস্কি। তিনি আরও বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার প্রায় চার বছরের ইউক্রেন আক্রমণ শেষ করার জন্য প্রস্তুত। কিন্তু ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি কম প্রস্তুত।

 

তার ভাষায়, ‘আমার মনে হয় তিনি (পুতিন) একটি চুক্তি করতে প্রস্তুত। আমার মনে হয় ইউক্রেন একটি চুক্তি করতে কম প্রস্তুত।’ প্রায় চার বছর ধরে চলা যুদ্ধের সমাধান কেন হয়নি এমন প্রশ্নে সরাসরি জেলেনস্কিকে দায়ী করেন তিনি।

 

ট্রাম্পের এই মন্তব্যেল জবাবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, জেলেনস্কিই শান্তিচুক্তি বিলম্বিত করছেন, ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের সঙ্গে রাশিয়া একমত। তিনি আরও জানান, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও রুশ পক্ষ এখনও আলোচনার জন্য উন্মুক্ত।

 

আরও পড়ুন: ইউরোপের বিরুদ্ধে কখন পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করা হবে, জানালেন পুতিনের সাবেক উপদেষ্টা

 

তবে ট্রাম্প ও পেসকভের বক্তব্য খণ্ডন করে জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে রাশিয়ার অব্যাহত হামলাই প্রমাণ করে, মস্কো শান্তি চায় না। রাশিয়া কোনো চুক্তিতে আগ্রহী নয়।

 

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জেলেনস্কির সাথে একাধিকবার বৈঠক করেছেন এবং কয়েক মাস আগে আলাস্কায় পুতিনের সাথেও দেখা করেছেন। এরপর গত মাসের শেষের দিকে ট্রাম্প মার-এ-লাগোতে জেলেনস্কির সাথে দেখা করেন। তাদের বৈঠকের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই নেতা বলেছিলেন, জেলেনস্কির সমর্থিত ২০-দফা শান্তি প্রস্তাবের বিষয়ে ‘বেশ অগ্রগতি হয়েছে।’

 

এরপর প্রায় তিন সপ্তাহ পার হলেও রাশিয়া-ইউক্রেন উত্তেজনা শেষ হওয়ার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। বরং সংঘাত আরও বেড়েছে। ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে একের পর এক শক্তিশালি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। সেইসব হামলারই জবাবও দিচ্ছে ইউক্রেন।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন