শনিবার (১১ এপ্রিল) ক্যাম্প ন্যুয়ে কাতালান ডার্বিতে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এস্পানিওলকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করে বার্সাকে সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে যান ফেরান তরেস। এই দুই গোলেই অবদান রেখেছেন ইয়ামাল। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে নিজেই গোল করেন এই উইঙ্গার। বাকি গোলটি করেন মার্কাস রাশফোর্ড।
এস্পানিওলের পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন পল লোজানো।
এই জয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ৯ পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে গেল বার্সেলোনা। ৩১ ম্যাচে ২৬ জয় ও ১ ড্রয়ে ৭৯ পয়েন্ট বার্সার। সমান ম্যাচে ২২ জয় ও ৪ ড্রয়ে ৭০ পয়েন্ট রিয়ালের।
৩১ ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে ১০ নম্বরে এস্পানিওল।
আরও পড়ুন: কেন ব্রাজিলের ফুটবল আগের জৌলুশ হারিয়েছে? ব্যাখ্যা দিলেন রোমারিও
ম্যাচের স্কোরলাইন যতটা একপেশে, বাস্তবে তত সহজে জয় পায়নি হ্যান্সি ফ্লিকের দল। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬ মিনিটে একটি গোল শোধ করার পর দারুণ লড়াই করেছে সফরকারীরা। কিন্তু ৮৭ ও ৮৯ মিনিটে দুই গোল হজম করে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে যায় এস্পানিওল।
ম্যাচের দশম মিনিটে তরেসের গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। কর্নার থেকে নেয়া ইয়ামালের বাঁকানো শট হেড করে জালে পাঠান এই স্প্যানিশ। ১০ ম্যাচের গোলখরা কাটিয়ে গোলের দেখা পেলেন তিনি।
দ্বিতীয় গোলটির জন্যও বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি তরেসকে। এবারও গোল বানিয়ে দিয়েছেন ইয়ামাল। তার বাড়ানো শটে পা লাগিয়ে বল জালে পাঠান তরেস।
লা লিগার ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে শততম ম্যাচ খেলতে নামা ইয়ামাল ম্যাচজুড়ে আলো ছড়ালেও গোলের দেখা পাচ্ছিলেন না। বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা নিলেও অল্পের জন্য গোলবঞ্চিত হতে হয়েছে তাকে।
৫৪ মিনিটে আরও একবার বল জালে পাঠান তরেস। কিন্তু তাকে বল দেয়ার সময় এরিক গার্সিয়া অফসাইডে থাকায় গোলটি বাতিল হয়। পরের মিনিটেই ব্যবধান কমান লোজানো। ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেয়া জোরাল শটে বল জালে পাঠান তিনি।
গোলের পর সমতায় ফিরতে প্রাণপণ চেষ্টা করেছিল এস্পানিওল। কিন্তু ৮৭ মিনিটে উল্টা গোল খেয়ে বসে তারা।
আরও পড়ুন: আরামবাগকে হারিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রাখলো কিংস, পুলিশকে হারিয়ে দুইয়ে উঠে এলো ফর্টিস
পাল্টা আক্রমণে বল পায়ে ওপরে উঠেছিলেন এই উইঙ্গার। অনেকটা এগিয়ে এসে জোরাল শটে বল ক্লিয়ারের চেষ্টা করেন দিমিত্রোভিচ। কিন্তু ইয়ামালের পায়ে লেগে উল্টো বল চলে যায় ডি বক্সের কাছে। ছুটে গিয়ে বল জালে পাঠান ইয়ামাল। গোল করিয়ে, করে শততম ম্যাচটা স্মরণীয় করে রাখলেন এই তরুণ।
২ মিনিট পরে স্কোরশিটে নাম তোলেন রাশফোর্ড। বাইলাইনে বল পেয়ে গোলে শট না নিয়ে পাস বাড়ান ডি ইয়ং। সহজ সুযোগ কাজে লাগান এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড।

২১ ঘন্টা আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·