সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজশাহীর বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) ল্যাবরেটরির পরীক্ষার ফলাফলে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, আমদানিকৃত পণ্যটি প্রকৃতপক্ষে জাফরান। এর আগে গত বুধবার (৮ এপ্রিল) সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পণ্যটি আটক করা হয়।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ এপ্রিল তোহা তাসু করপোরেশন নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ‘রেড গ্রাস’ নামে পণ্যটি আমদানি করে। পণ্যটি বন্দরের পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের ভেতর থাকাকালীন গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এর নমুনা সংগ্রহ করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। পণ্যটির আমদানিতে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ছিল মেসার্স সূচি এন্টারপ্রাইজ।
সোনামসজিদ স্থলবন্দর কাস্টমসের সহকারী কমিশনার সাব্বির রহমান জিসান বলেন, “পার্টস অব প্ল্যান্টস ক্যাটাগরিতে অনেকগুলো পণ্যের সঙ্গে ‘রেড গ্রাস’ নামে ২০০ কেজি পণ্য আনা হয়েছিল। এটি ভারতে ‘পূজা পাট্টি’ নামে পরিচিত। তবে পণ্যটি দেখতে জাফরানের মতো হওয়ায় আমাদের সন্দেহ হয় এবং আমরা ল্যাব টেস্টের জন্য পাঠাই।”
আরও পড়ুন: জামালপুরে ৩৬০০ ইয়াবাসহ যুবদল ও যুবলীগ নেতা আটক
বিসিএসআইআর রাজশাহী গবেষণাগারের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ডিভিশন ইনচার্জ মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, নমুনাটি পরীক্ষা করে দেখা গেছে এটি রেড গ্রাস নয়, বরং উচ্চমানের জাফরান। মাইক্রোস্কোপিক পরীক্ষাতেও পণ্যটির সঠিক পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সাব্বির রহমান জিসান বলেন, ‘ল্যাব টেস্টে এটি জাফরান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। পুরো বিষয়টি কমিশনার বরাবর পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
বর্তমানে দেশে প্রতি কেজি জাফরান মানভেদে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা দরে বিক্রি হয়। সেই হিসাবে আমদানি করা এই চালানের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭ থেকে ৮ কোটি টাকা।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমদানিকারককে তলব করা হয়েছে এবং চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেয়ার আগে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে।

১ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·