মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বহিষ্কৃত নেতারা হলেন: জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহ আলম, হাসান মামুন, আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব তরুণ দে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, সিলেট জেলা বিএনপির সহসভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন বাঞ্চারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুমিন ফারহানার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজে লিপ্ত থাকা এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অবিলম্বে এই বহিষ্কার আদেশ কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিএনপির একটি সূত্র জানায়, তৃণমূল পর্যায়ে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিতেই এই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলের হাই কমান্ড। বিশেষ করে রুমিন ফারহানা ও সাইফুল আলম নীরবের মতো পরিচিত নেতাদের বহিষ্কারের বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

২ সপ্তাহ আগে
৭








Bengali (BD) ·
English (US) ·