সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কালেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২৭০ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। এদের মধ্যে ৩৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এবছর হামের উপসর্গ নিয়ে ৩০ জন শিশু মারা গেছে। এদের মধ্যে পজেটিভ আছে একজন। হাম সন্দেহে মারা গেছে ২৯ জন। এ ২৯ জনের (নমুনা) টেস্ট করেও হাম পজিটিভ পাওয়া যায়নি।’
আক্রান্তদের জন্য নির্ধারিত কর্নার এবং সাধারণ শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে জানিয়ে হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান বলেন, ‘দুটি ওয়ার্ডের কর্নারে আলাদা করে (রোগীদের) আইসোলেশন করে রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে রোগী বাড়লে আমার সেটি দেখবো।
তিনি আরও বলেন, ‘আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশের বয়স ছয় মাসের নিচে। যা চিকিৎসকদের জন্য উদ্বেগজনক। এক বছরের ওপরে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা খুবই কম।’
আরও পড়ুন: হামের উপসর্গ নিয়ে রামেকে ভর্তি আরও ৫০ শিশু
এসময় রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকে এম মাসুদ-উল-ইসলাম জানান, ১২০০ শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন ২৫০০-৩৫০০ রোগী ভর্তি থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। সীমিত জনবল ও অবকাঠামোর মধ্যেও চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।
পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, অর্ন্তবর্তী সরকারের সময়ে ভ্যাকসিন ক্রয় করতে না পারায় টিকা দিতে না পারায় হাম ছড়িয়ে পড়েছে। একই সাথে যারা টিকা বিতরণ করেন তারা আন্দোলন করছেন। ফলে সারা দেশে এর বিস্তার বেড়েছে।
পরে বিএনপি নেতা ডা. রফিকুল ইসলাম হাসপাতলের সকল বিভাগীয় প্রধানের সাথে বৈঠক করেন।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৩







Bengali (BD) ·
English (US) ·