শনিবার (১১ এপ্রিল) হলটির প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহবুবার রহমান বলেন, তল্লাশির বিষয়টি আমার জানা ছিল না। হলে কোনো তল্লাশি হলে তা প্রশাসনের মাধ্যমেই হওয়া উচিত।
জানা গেছে, শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত হল সংসদের এজিএস ইসরাফিল হোসাইনের নেতৃত্বে হলে তল্লাশি চালানো হয়।
ওই কক্ষের শিক্ষার্থী আলিম মৃধা বলেন, ভোরের দিকে ইসরাফিলসহ কয়েকজন দরজায় জোরে জোরে ধাক্কা দেয়। আমরা ঘুমিয়ে থাকায় দরজা খুলতে দেরি হয়। পরে তারা জোর করে রুমে প্রবেশ করেন। এবং বলেন এখানে মেয়ে আছে। তবে তল্লাশি করে কাউকে না পেয়ে চলে যায় তারা।
তিনি অভিযোগ করেন, কিছু না পাওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। অপপ্রচার করা হয়েছে তার রুমমেটের বিরুদ্ধেও।
আরও পড়ুন: অনলাইন-অফলাইন ক্লাস নিয়ে নতুন বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসরাফিল হোসাইন বলেন, একটি জায়গা থেকে হলে মেয়ে ঢুকেছে এ তথ্য পাই। পরে ভিপি ও জিএসের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি যাচাই করতে যাই। সেখানে গিয়ে এমন কিছু পাইনি।
জিয়া হল সংসদের ভিপি ও হল শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজাম্মেল হক বলেন, ফজরের আগে একজন হলে মেয়ে নিয়ে আসার বিষয়ে জানায়। তখন আমি জিএস ও এজিএসকে জানাই এবং এরকম কিছু হলে গোপনে মিটমাট করে ফেলতে বলি। এটা যাতে আলোচনার কোনো টপিক না হয় সেটাই চেয়েছিলাম এবং রাত গভীর হওয়ায় হল প্রশাসনের কাউকে জানানো হয়নি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মাহবুবর রহমান বলেন, হল সংসদ বা প্রশাসনের উপস্থিতি ছাড়া কেউ কোনো শিক্ষার্থীর কক্ষে তল্লাশি চালাতে পারে না। যেহেতু এটি হল-সংক্রান্ত বিষয়, তাই হল প্রশাসন আগে ব্যবস্থা নেবে।
‘মব’ তৈরি করে শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে এমন ঘটনা ঘটেছে। তবে বর্তমান প্রশাসন এ বিষয়ে তৎপর। কোনোভাবেই ‘মব’ তৈরি করে কাউকে হেনস্তার সুযোগ নেই।

১৯ ঘন্টা আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·