চার দিনের মার্কিন সফরের দ্বিতীয় দিনে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এমন এক সময়ে এই আয়োজনটি করা হয়, যখন দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক বেশ উত্তপ্ত। এর আগে ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ পরিচালনায় সাহায্যের অভাবের জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বারবার সমালোচনা করেছেন।
ট্রাম্প নৈশভোজে বলেন, ‘আমরা এখন মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে কিছু কাজ করছি এবং খুব ভালোভাবে তা করছি।’
আরও পড়ুন:ইরানের ওপর দীর্ঘায়িত অবরোধের জন্য সহযোগীদের প্রস্তুত হতে বললেন ট্রাম্প
আমরা সেই নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষকে সামরিকভাবে পরাজিত করেছি, এবং আমরা সেই প্রতিপক্ষকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না — চার্লস আমার চেয়েও এ বিষয়ে এগিয়ে আছেন। তিনিও আমার সাথে একমত — আমরা সেই প্রতিপক্ষকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না।
রয়টার্স বলছে, ট্রাম্পের পর নিজের মন্তব্যে চার্লস ইরান বা যুদ্ধ নিয়ে কোনো কথা বলেননি। রাজা ব্রিটিশ সরকারের মুখপাত্র নন।
এদিকে, রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে, ওয়াশিংটনে অবস্থিত ব্রিটিশ দূতাবাস রয়টার্সকে বাকিংহাম প্যালেসে যোগাযোগ করতে বলে। কিন্তু তারা মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।
এর আগে কংগ্রেসে দেয়া এক ভাষণে চার্লস ইরান যুদ্ধের সরাসরি কোনো উল্লেখ করেননি, তবে ন্যাটোর প্রতি ট্রাম্পের সমালোচনার কথা উল্লেখ করেন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সাহায্যের গুরুত্ব এবং বিচ্ছিন্নতাবাদের বিপদ তুলে ধরেন।
ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই বছরের পর বছর ধরে এই অবস্থান বজায় রেখেছে যে তেহরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা উচিত নয়।
আরও পড়ুন:ইরানের ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের
পারমাণবিক অস্ত্র না থাকা সত্ত্বেও তেহরান তা অর্জনের চেষ্টার কথা অস্বীকার করে, কিন্তু বলে যে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) পক্ষ হিসেবে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে, যার মধ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণও অন্তর্ভুক্ত, পারমাণবিক প্রযুক্তি বিকাশের অধিকার তাদের রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
]]>
৬ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·