সোমানি–ওয়ালটন–হ্যাম্প কনসোর্টিয়াম দাবি করেছে, তারা পুরো ছয় মাসের দীর্ঘ প্রক্রিয়াজুড়ে সবচেয়ে শক্তিশালী ও এগিয়ে থাকা বিড ছিল। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, তারা কখনওই প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ায়নি এবং আর্থিকভাবেও সম্পূর্ণ সক্ষম ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাদের বাদ দিয়ে অন্য পক্ষের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করা হয়, যা তারা অন্যায্য সিদ্ধান্ত হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
তাদের প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, শুরু থেকেই তারা একটি বৈশ্বিক বিনিয়োগকারী দল গঠন করেছিল, যেখানে এনএফএল, এমএলবি, ইপিএল, লা লিগার মতো বিভিন্ন বড় ক্রীড়া লিগে অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীরা ছিলেন। এমনকি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ক্রীড়া তারকারাও তাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। তাদের লক্ষ্য ছিল আইপিএলকে আরও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া এবং বৈশ্বিক ক্রীড়া বিনিয়োগে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগগুলোর একটি হলো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা। সোমানি গ্রুপের মতে, পুরো বিক্রয় প্রক্রিয়ায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়নি। তাদের দাবি, সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা, ধারাবাহিকতা এবং ন্যায্যতার ঘাটতি ছিল, যা এত বড় একটি ক্রীড়া সম্পদের মালিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়।
আরও পড়ুন: ২০ হাজার কোটি টাকায় বিক্রি হলো রাজস্থান রয়্যালসের মালিকানা
তারা আরও উল্লেখ করেছে যে, মিডিয়ায় তাদের বিড নিয়ে যে আর্থিক দুর্বলতা বা 'ফান্ডিং ইস্যু' নিয়ে খবর প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুল। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে অর্থায়নকৃত ছিল এবং কখনওই বিড প্রত্যাহার করেনি।
অন্যদিকে, নতুন মালিকানা গোষ্ঠীর নেতৃত্বে থাকা মিত্তাল পরিবার ও পুণাওয়ালার পক্ষ থেকে এই অভিযোগগুলোর বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি। ফলে বিষয়টি আরও জটিল আকার ধারণ করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের বড় মালিকানা হস্তান্তরে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে। ইতিমধ্যেই সোমানি কনসোর্টিয়াম ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা বিষয়টি পুনর্বিবেচনা বা আইনি পথে এগোতে পারে।

২২ ঘন্টা আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·