রাজশাহী-রংপুর ম্যাচে নাটকীয়তা, বিপিএল ইতিহাসে তৃতীয় সুপার ওভার

২ সপ্তাহ আগে
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চলতি আসরে নাটকীয় এক ম্যাচের সাক্ষী হলো ক্রিকেটপ্রেমীরা। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে নিশ্চিত জেতার ম্যাচ টাই করলো রংপুর রাইডার্স। ফলাফল নির্ধারণে ম্যাচ এখন সুপার ওভারের অপেক্ষায়। বিপিএলের ইতিহাসে এমনটা ঘটছে তৃতীয় বার।

রাজশাহীর করা ১৫৯ রানের বিপরীতে পরে ব্যাট করে রংপুরও থামে ১৫৯ রানে।

 

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে এদিন দিনের দ্বিতীয় ম্যাচেরান তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই ভালো অবস্থানে ছিল রংপুর। এমনকি রিপন মন্ডল শেষ ওভার করতে আসার আগেও জয়টা প্রায় নিশ্চিতই ছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটির। ইনিংসের ২০তম ওভারে দরকার ছিল মাত্র ৭ রানের। হাতেও ছিল ৭ উইকেট। কিন্তু পেসার রিপন ও রাজশাহীর ফিল্ডাররা সব এলোমেলো করে দেন। প্রথম বলে খুশদিল শাহকে সাজঘরে ফেরানোর পর ক্রিজে নেমে পরের ৩ বলে  ৬ রান তুলেছিলেন নুরুল হাসান সোহান। পঞ্চম বলে তিনি ক্যাচ দিয়ে ফিরলে শেষ বলে ক্রিজে নেমে ১ রান নিতে ব্যর্থ হন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তিনি রান আউট হলে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

 

আরও পড়ুন: বৃথায় শামীম ঝড়, ওমরজাইয়ের নৈপুণ্যে টানা দ্বিতীয় জয় সিলেটের

 

এর আগে লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ২২ রানে লিটন দাসের উইকেট হারিয়েছিল রংপুর। ১১ বলে ৩ চারের মারে ১৬ রান করে তানজিম হাসান সাকিবের বলে ক্যাচ তু্লে দেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে পুরোপুরি ক্রিজের আধিপত্য নিয়ে নেন হৃদয় ও মালান। শুরুটা বেশ মন্থর হলেও ধীরে ধীরে রানের চাকা সচল করেন ইংলিশ ব্যাটার। হৃদয়ের সঙ্গে গড়েন শতরানের জুটি। দলীয় ১২২ রানে বিদায় নেন হৃদয়। ৩৯ বলে ৭ চারের মারে ৫৩ রান করেন তিনি। এরপর ক্রিজে নেমে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে কাইল মেয়ার্স ৮ বলে ৯ রান করে ফেরেন। একপ্রান্ত আগলে রেখে জয়ের অপেক্ষায় থাকা মালান অবশ্য শেষ পর্যন্ত সতীর্থদের কারণে হতাশ হন। রাজশাহীর পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন রিপন ও এসএম মেহেরব।

 

এদিন প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান সংগ্রহ করেছিল রাজশাহী। দ্বিতীয় উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও শাহিবজাদা ফারহানের ৯৩ রানের জুটির পর যদিও পুঁজিটা আরও বড় করার সুযোগ ছিল। তবে তাদের বিদায়ের পর বাকিদের কেউ দায়িত্ব কাঁধে নিতে পারেননি। ফারহান ৪৬ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৫ রান করেন। শান্ত ৩০ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৪১ রান করেন। রংপুরের পক্ষে দারুণ বোলিংয়ে মাত্র ১৬ রান খরচায় ২ উইকেট নেন আলিস আল ইসলাম। সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিলেও ফাহিম আশরাফ খরচ করেন ৪৩ রান। এছাড়া ৩৪ রান খরচায় ১ উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান।

 

আরও পড়ুন: বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের নজরদারিতে নোয়াখালীর সহকারী কোচ

 

বিপিএলের ইতিহাসে এটি তৃতীয় টাই হওয়া ম্যাচ। এর আগে ২০১৯ সালে ও ২০২০ মৌসুমে দুবার সুপার ওভারের সাক্ষী হয়েছিল দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা।

 

 

 

 

 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন