পরিবেশ অধিদপ্তর ও ভূমি প্রশাসনের ভাষ্যমতে, নগরীর পঞ্চবটি এলাকার শিরোইল মৌজায় ৪০ শতাংশ আয়তনের পুকুরটি সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে সংরক্ষিত। সম্প্রতি স্থানীয় বেশ কয়েকজন ক্রয়সুত্রে এই পুকুরের মালিক হন। তারা দীর্ঘ দিন ধরে ইট, মাটি, বালু ও পরিত্যাক্ত বিভিন্ন জিনিশ ফেলে ধীরে ধীরে ভরাট করছিলো।
এ ব্যাপারে অভিযোগ পেয়ে পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পুলিশের সহায়তায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও বোয়ালিয়া ভূমি অফিস অভিযান শুরু করে। বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত একটি খননযন্ত্র (একসেভেটর) দিয়ে ভরাট হওয়া অংশ পুনরায় খনন করে।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে দেখা নেই সূর্যের, শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত
বোয়ালিয়া থানা ভূমি কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘এ অভিযানের মধ্য দিয়ে আমরা সবাইকে বার্তা দিতে চাই, জমি ব্যক্তিগত বা সরকারি যাই হোক না কেন, পুকুর খনন বা ভরাট করা বেআইনি। বিষয়টি আমরা কঠোরভাবে মোকাবিলা করব।’
পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহীর উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন বলেন, ‘রাজশাহীতে আইন অমান্য করে আর কোনো পুকুর ভরাট হবে না। পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হবে।’
রাজশাহীতে পুকুর ভরাট ও দখল নিয়ে ২০১৪ সালে ‘হাইকোর্টে একটি রিট করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। সেই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে নগরে পুকুর গণনা করে বোয়ালিয়া ভূমি কার্যালয় ৯৫২টি পুকুরের তালিকা করে। এর মধ্যে ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত পুকুর ৪৮টি। বাকিগুলো ব্যক্তিমালিকানাধীন। রাজশাহী সিটি করপোরেশন ২০১৯ সালে ২২টি ব্যক্তিমালিকানাধীন পুকুর অধিগ্রহণের পরিকল্পনা নেয়। পরে আর সে প্রকল্প আলোর মুখ দেখেনি।

১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·