নিহতরা হলেন- ঈশ্বরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে হারেছ উদ্দিন (৪৭), তার ছেলে রাহাব চৌধুরী (১৭) এবং ছোট ভাই শহীদুল ইসলামের মেয়ে রোদেলা আক্তার (১৫)। তাদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোক ও আহাজারির পরিবেশ তৈরি হয়।
স্থানীয়রা জানান, কাজের সন্ধানে ১৯৯৪ সালে হারেছ উদ্দিন ও শহীদুল ইসলাম ঢাকায় যান। দুই ভাই দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর রোডের ৩৪ নম্বর বাড়ির পাঁচ তলায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন। তারা উত্তরা জমজম এলাকায় ফলের ব্যবসা করতেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে উত্তরার ওই বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনের ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে হারেছ উদ্দিন, তার ছেলে রাহাব ও ভাতিজি রোদেলা আক্তারের মৃত্যু হয়। রাহাব ছিলেন উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী এবং রোদেলা অষ্টম শ্রেণিতে পড়তেন।
আরও পড়ুন: লঞ্চে অগ্নিকাণ্ড: মৃত্যুপুরীর সেই দুঃসহ রাতের স্মৃতি আজও কাঁদায়
বাদ জুমা উত্তরায় নিহতদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর রাত ৮টার দিকে মরদেহগুলো নিজ গ্রামে পৌঁছালে স্বজন ও এলাকাবাসী কান্নায় ভেঙে পড়েন।
হারেছের চাচা নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা বেলা ১১টার দিকে মৃত্যুর খবর পাই। অগ্নিকাণ্ডের দুর্ঘটনায় তিনজন মানুষ মারা গেল। সংসারে অভাবের কারণে দুই ভাতিজা খুব ছোটবেলা থেকে ঢাকায় গিয়ে ব্যবসা করে জীবন চালাচ্ছিল। এমন মৃত্যুতে আমরা সবাই শোকাহত।
আরও পড়ুন: একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের পেছনে কারণ কী খতিয়ে দেখার আহ্বান জামায়াত আমিরের
এদিকে রাত ১০টার দিকে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি বাবা–ছেলে ও ভাতিজিকে দাফন করা হয়।
]]>
১৪ ঘন্টা আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·