শনিবার দিনগত রাত ৪ টার দিকে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহবুবার রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
শাস্তিপ্রাপ্তরা হলেন, হল সংসদের এজিএস মো. ইসরাফিল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. সাকিব জুবায়ের ও আরেক আবাসিক শিক্ষার্থী মো. ফোরকান হাফিজ জীম। তারা সবাই শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতিতে সক্রিয়।
হল সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ১২১ নম্বর কক্ষে ‘নারী অবস্থান করছে সন্দেহে’ ভোর ৪ টার দিকে ‘জোর করে’ তল্লাশি চালায় হল সংসদের এজিএস ইসরাফিল হোসাইনসহ কয়েকজন। পরে তারা সেখানে কেউকে না পেয়ে ফেরত আসে। বিষয়টি নিয়ে গতকাল সন্ধ্যায় প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহবুবার রহমানের কার্যালয়ে একটি সভা বসে। সভায় উপস্থিত হল সংসদের নেতাদের ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মাঝে বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে রামেকে ভর্তি ১৫ জন
হলের এজিসসহ কয়েকজনের অনুপস্থিত থাকায় সভাটি স্থগিত হয় এবং রাত ১১ টায় আবার শুরু হয়। এ সময় হল প্রাধ্যক্ষের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান। টানা কয়েকঘণ্টার আলোচনা শেষে ওই ৩ নেতার আবাসিকতা সাময়িকভাবে বাতিল করে হল প্রশাসন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার আনুমানিক ভোর ৫ টায় শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ১২১নং কক্ষে নারী প্রবেশের অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে অসত্য ও ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে। এতে ৩ শিক্ষার্থীর আবাসিকতা সাময়িকভাবে বাতিল করা হলো এবং হল ভিপি মোজাম্মেল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।
এছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে অধিকতর তদন্তে একটি কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। তদন্ত কমিটি গঠনের প্রজ্ঞাপনে তদন্ত রিপোর্ট দ্রুত জমাদানের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ থাকবে।

৩ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·