রমজানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও ইতেকাফ পালনকারী ১০০ জন পেলেন পুরস্কার

২ সপ্তাহ আগে
এবারের রমজানে তরুণদের ধর্মীয় আচার অনুশীলনে উদ্বুদ্ধ করতে ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নেয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দি পূর্বপাড়া প্রবাসী ও যুব সমাজ। রমজান মাসে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় ও ইতেকাফ করা শতাধিক মুসল্লিকে পুরস্কৃত করেছে তারা।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে ‘তারুণ্যের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক কর্মসূচির সিজন-৩ এর সমাপনী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, নরসিংদী জেলা ও দায়রা জজ আল মামুন।

 

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, রমজানের শুরুতেই ঘোষিত এই চ্যালেঞ্জে অর্ধ শতাধিক শিশু-কিশোর, তরুণ ও প্রবীণ অংশগ্রহণ করেন। নিয়মিত জামায়াতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়, হাদিস অধ্যয়ন, ইতেকাফ পালনসহ বিভিন্ন ইবাদতের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে বাছাই শেষে চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ হন ৫৩ জন প্রতিযোগী ও ৪৭ জন ইতেকাফে।

 

অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মাঝে ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, ব্লেন্ডার, ডিনার সেট, জায়নামাজ ও হাদিসগ্রন্থসহ প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। 
চ্যাম্পিয়ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের দেয়া হয় ফ্রিজ ও ওয়াশিং মেশিন।

 

আরও পড়ুন: যশোর থেকে সরকারি সম্মানী পেলেন ৪ ধর্মীয় নেতা

 

সভাপতির বক্তব্যে আল মামুন বলেন, মানুষের জীবনে সময়ই সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। এই সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলেই একজন মানুষ সফলতা অর্জন করতে পারে। রমজান আমাদের সেই সময় ব্যবস্থাপনার শিক্ষা দেয় ইবাদত, আত্মসংযম ও ভালো কাজের মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করে। বর্তমান প্রজন্ম যদি সময়ের মূল্য বুঝে তা সৎ ও কল্যাণকর কাজে ব্যয় করে, তাহলে তারা সমাজের জন্য সম্পদে পরিণত হবে। তাই তরুণদের সময়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক মুহাম্মদ জি এম আসলাম সরকার, মো. নজরুল ইসলাম সরকার, মরিচাকান্দি রাহিমাবাগ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা বাহাউদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, হাফেজ মাওলানা সাইফুল ইসলাম।

 

আরও পড়ুন: কোরআনের শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে কওমি মাদ্রাসা: ধর্মমন্ত্রী

 

বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। ধর্মীয় চর্চার মাধ্যমে তরুণদের নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকশিত হয়।

 

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন