শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মোস্তাক আহমেদ বলেন, মহিউদ্দিনের শরীরে লাঠির আঘাত রয়েছে। এছাড়া টিয়ার শেলের গ্যাসে ইনহেলিসন ইনজুরি হয়েছে। তবে সে স্ট্যাবল আছে। এছাড়া বাকিদেরও টিয়ার শেল ও লাঠির আঘাত রয়েছে। তাদের সবারই জরুরি বিভাগে চিকিৎসা চলছে। এখন পর্যন্ত কাউকে ভর্তি দেয়া হয়নি।
আরও পড়ুন: যমুনার সামনে বিক্ষোভে অধিকাংশই লাঠির আঘাতে আহত: ঢামেক পরিচালক
শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার প্রবেশমুখ ও ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে ইনকিলাব মঞ্চ। দাবি আদায়ে শুক্রবার দুপুরে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনা অভিমুখে মিছিল নিয়ে এগিয়ে গেলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। এ সময় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়লে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। টানা দেড় ঘণ্টা চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া সংঘর্ষ।
আরও পড়ুন: হাদি হত্যার তদন্তে রোববার জাতিসংঘে চিঠি দেবে অন্তর্বর্তী সরকার
প্রথম দফায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার শেল ও লাঠিচার্জে অর্ধশতাধিক ইনকিলাব মঞ্চের কর্মীরা আহত হন। এর প্রতিবাদে সন্ধ্যার দিকে শাহবাগ অবরোধ করেন তারা। সেখানে পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ার শেলের গ্যাসে মহিউদ্দিন রনিসহ ২০ জনের মতো আহত হন।
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৬







Bengali (BD) ·
English (US) ·