উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ প্রকাশিত একটি প্রতিলিপি অনুসারে, কিম ঘোষণা করেছেন, যে বা যারা ‘বিনা দ্বিধায় আত্মঘাতী বিস্ফোরণ’ এবং আত্মঘাতী হামলা বেছে নিয়েছেন, তারা সর্বোচ্চ স্তরের আনুগত্য প্রদর্শন করেছেন।
এটি সেইসব সৈন্যদের প্রতি ইঙ্গিত করে, যারা বন্দি হওয়ার ঝুঁকি না নিয়ে গ্রেনেডের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন বা বিস্ফোরক ফাটান।
আরও পড়ুন:মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধকে কাজে লাগিয়ে পারমাণবিক শক্তি হিসেবে অবস্থান সুদৃঢ় করছে উত্তর কোরিয়া
রাজধানী পিয়ং ইয়ং এর উপকণ্ঠে একটি বিশাল নতুন স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্সের উদ্বোধনে কিম এই মন্তব্য করেন। তিনি একটি খোলা সমাধিস্থলে মাটি দেয়ার জন্য হাঁটু গেড়ে বসেন। ভেতরে, সৈন্যদের দেহাবশেষ, ব্যক্তিগত স্মৃতিচিহ্ন এবং জব্দ করা সামরিক সরঞ্জামের প্রদর্শনীকে ঘিরে ছিল ব্রোঞ্জের মূর্তি এবং নাম খোদাই করা কালো মার্বেলের দেয়াল।
আংশিক কবরস্থান ও আংশিক জাদুঘর এই স্থানটি, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধে উত্তর কোরীয় সৈন্যদের মৃত্যুকে বীরত্ব ও দেশপ্রেমিকের আত্মত্যাগ হিসেবে তুলে ধরার একটি বৃহত্তর প্রচারণা।
কয়েক মাস ধরে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম যুদ্ধে ওই সৈন্যরা কীভাবে মারা গিয়েছিলেন তার প্রাণবন্ত এবং মর্মান্তিক বিবরণ দিয়ে আসছে।
পূর্ববর্তী প্রতিবেদনগুলোতে বর্ণনা করা হয়েছে, সৈন্যরা ঘেরাও হওয়ার সময় গ্রেনেড ফাটাচ্ছিলেন। বিস্ফোরণ ঘটানোর আগে সহযোদ্ধাদের পেছনে চলে আসতে চিৎকার করছিলেন, অথবা ধরা পড়া এড়াতে আহত হওয়ার পর আত্মহত্যা করেছিলেন। একটি বিবরণে, সৈন্যরা বিস্ফোরক ফাটানোর আগে একে অপরকে আলিঙ্গন করেছিলেন বলেও জানানো হয়।
বছরের পর বছর ধরে গোয়েন্দা সংস্থা, ইউক্রেনীয় কর্মকর্তা এবং দলত্যাগীরা জানিয়ে আসছে যে, উত্তর কোরীয় সৈন্যদের ধরা পড়ার চেয়ে আত্মহত্যা করার কথা বলা হতো। পিয়ংইয়ং কখনো এটি নিশ্চিত করেনি।
আরও পড়ুন:একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া
এদিকে, দক্ষিণ কোরীয় ও পশ্চিমা কর্মকর্তাদের অনুমান, রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চলে ১০,০০০-এরও বেশি উত্তর কোরীয় সৈন্য মোতায়েন করা হয় এবং এতে হাজার হাজার সৈন্য নিহত বা আহত হয়েছেন; উত্তর কোরিয়া এখন পর্যন্ত এই ক্ষয়ক্ষতির কথা এতটা খোলাখুলিভাবে স্বীকার করেনি।
সূত্র: সিএনএন
]]>

৫ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·