অবরুদ্ধ গাজার বাতাসে আবারও বারুদের গন্ধ। বুধবার স্থানীয় সময় ভোর থেকে দেইর এল-বালাহ, খান ইউনিস এবং গাজা সিটির তুফাহ ও জেইতুন এলাকায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে দখলদার বাহিনী। তাদের অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন নারী-শিশুসহ বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি।
তেল আবিবের দাবি, উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলে চালানো হামলায় হামাসের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। উত্তরাঞ্চলে ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে চালানো হামলার জবাবে হামাসের অবস্থান লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালিত হয় বলেও দাবি করা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ শুরু হওয়া সত্ত্বেও এই রক্তক্ষয়ী হামলাকে ‘চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করেছে হামাস। সংগঠনটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরাইল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে অজুহাত খুঁজছে।
অন্যদিকে ইসরাইলের পাল্টা দাবি, হামাসই আগে হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করেছে।
আরও পড়ুন: গাজা /হামাস নিরস্ত্রীকরণে রাজি না হলে কী করবে ইসরাইল?
ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, ‘ইয়েলো লাইন’-এর ভেতরেও হামলা চালাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী। ওই মুখপাত্রের অভিযোগ, এই নির্দিষ্ট এলাকার ভেতরেও বহু বেসামরিক মানুষ হামলার শিকার হচ্ছেন এবং অনেকে নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে রাফাহ ক্রসিং দিয়ে গুরুতর অসুস্থ ও আহতদের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার কথা থাকলেও, রোগীদের তৃতীয় দলকে স্থানান্তরের সমন্বয়ের কাজ বাতিল করেছে ইসরাইল। কোনো কারণ ছাড়াই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্টের। আল-আমাল হাসপাতাল থেকে এই রোগীদের নিয়ে বুধবারই রওনা হওয়ার কথা ছিল, যা এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
গাজার এই টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যেই কায়রোতে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সাথে বৈঠক করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এরদোয়ান জানান, গাজায় শান্তি ফেরাতে এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে আঙ্কারা ও কায়রো এক হয়ে কাজ করবে।
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৯







Bengali (BD) ·
English (US) ·