যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ ঘোষণার মধ্যেও গাজায় আগ্রাসন

১০ ঘন্টা আগে
যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ ঘোষণার মধ্যেও গাজায় আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে দখলদাররা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১০ ফিলিস্তিনি নিহত হন। যাদের মধ্যে হামাসের সামরিক শাখা কাশেম ব্রিগেডের এক কমান্ডার আছেন বলে দাবি নেতানিয়াহু বাহিনীর।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ইসরাইলি বাহিনী গাজার মধ্যাঞ্চলের দেইর আল-বালাহ শহরে দুটি বাড়িতে বোমা হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন হতাহত হন। নেতানিয়াহু বাহিনীর দাবি, নিহতদের মধ্যে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সামরিক শাখা কাশেম ব্রিগেডের একজন কমান্ডার আছেন।

 

ইসরাইলের এমন বর্বরোচিত হামলার নিন্দা জানিয়ে এটাকে নৃশংস অপরাধ আখ্যা দিয়েছে হামাস। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনয়ামিন নেতানিয়াহুর যুদ্ধবিরতির প্রতি অবহেলা প্রকাশ করে বলে অভিযোগ গোষ্ঠীটির। তবে হামাস তাদের কোনো কমান্ডারের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

 

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত চার শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে অন্তত একশ’র বেশি শিশু রয়েছে।

 

আরও পড়ুন: আমার পা আমার আগেই বেহেশতে চলে গেছে: গাজার কিশোর হালাওয়া

 

একদিকে দখলদারদের হামলা অন্যদিকে ত্রাণ প্রবেশ সীমিত করায় ক্ষুধার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র শীতেও বিপর্যস্ত গাজার বাসিন্দারা। জাতিসংঘ মহাসচিবের উপ-মুখপাত্র ফারহান হক জানান, সাম্প্রতিক শীতকালীন ঝড়ে অস্থায়ী আশ্রয় বা ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন উপত্যকার হাজার হাজার মানুষ। শীত মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ঠান্ডাজনিত কারণে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

এদিকে লেবাননেও থেমে নেই ইসরাইলি বর্বরতা। ইসরাইলের সেনাবাহিনী লেবাননের বেকা উপত্যকার দুটি গ্রাম সোহমোর ও মাশঘারাতে হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম। ওই দুই গ্রামে হিজবুল্লাহর অবকাঠামো আছে দাবি করে হামলার আগে বাসিন্দাদের বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বলা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে জানান ইসরাইলি বাহিনীর মুখপাত্র।

 

ইসরাইল ও তার মিত্ররা হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করতে চাপ বাড়ানোর মধ্যেই হামলা চালানোয় বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন