যুদ্ধবিমান ভূপাতিত: চ্যালেঞ্জের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বার্তা

১ সপ্তাহে আগে
মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের ঘটনায় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের বার্তা। মার্কিন আকাশযানে ইরানের হামলা যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রতিরোধ্য শক্তির ধারণায় চরম আঘাত বলেও মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক। জনসমর্থন কমার মাঝেই নতুন করে চাপ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর, যেখানে যুদ্ধের খরচ আর ঝুঁকি এখন আরও স্পষ্ট।

ইরানের আকাশে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার বিষয়টি। একদিনের ব্যবধানে পর পর কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

 

এই ঘটনার পর খোদ যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিশ্লেষকরাই প্রশ্ন তুলেছেন, সম্প্রতি ইরানের আকাশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ট্রাম্প যে দাবি করছেন তা কতটুকু সত্য?

 

দু’দিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, ইরানের আকাশে পেন্টাগনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এমনকি মার্কিন সমরমন্ত্রী পিট হেগসেথও বলেন, ইরান কিছুই করতে পারবে না। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি উল্টে দিচ্ছে ইরান।

 

আরও পড়ুন: কোন প্রযুক্তিতে একের পর এক মার্কিন সামরিক বিমান ফেলে দিচ্ছে ইরান?

 

বিশ্লেষকরা বলছেন, সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র এখনও সামরিকভাবে প্রভাবশালী হলেও এই ধরনের ঘটনা তাদের ঝুঁকি ও সীমাবদ্ধতাকে সামনে আনছে। এছাড়া ইরানের হামলা যুক্তরাষ্ট্রের অপ্রতিরোধ্য শক্তির ধারণায় চরম আঘাত বলেও মনে করেন তারা।

 

রাজনৈতিকভাবেও বিষয়টি স্পর্শকাতর হয়ে উঠছে। মার্কিন জনগণের বড় অংশ এরইমধ্যে যুদ্ধ নিয়ে সন্দিহান, বিশেষ করে তেলের দাম বৃদ্ধি ও হরমুজ প্রণালী ঘিরে অর্থনৈতিক প্রভাবের কারণে দিন দিন পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে।

 

এ অবস্থায়, সামরিক সাফল্যের দাবি প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় মার্কিন প্রশাসনের ওপর চাপ আরও বাড়ছে।

 

সব মিলিয়ে, ইরানের আকাশে ‘অপ্রতিরোধ্য’ শক্তির যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছিল, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো তা নড়বড়ে করে দিয়েছে। যুদ্ধের ময়দানে বাস্তবতা ও রাজনৈতিক বার্তার এই ফারাকই এখন ওয়াশিংটনের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন