ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জেরে অগ্নিগর্ভ গোটা মধ্যপ্রাচ্য। অঞ্চলটির মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় আঘাত হানছে আইআরজিসি। ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষাও কুলিয়ে উঠতে পারছেনা মিসাইল প্রতিহত করতে।
চলমান যুদ্ধে সব পক্ষেরই ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। তবে সংবাদমাধ্যম ও গবেষকদের জন্য সেসব চিত্র প্রকাশে বাধা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
ট্রাম্প প্রশাসনের বিশেষ অনুরোধে স্যাটেলাইটভিত্তিক পর্যবেক্ষক ও তথ্য সেবাদানকারী মার্কিন কোম্পানি ‘প্ল্যানেট ল্যাবস’ তাদের উচ্চমানের ছবি প্রকাশে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেছে। এর ফলে ইরান এবং এর আশপাশের সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের আকাশপথের রিয়েল-টাইম বা তাৎক্ষণিক স্যাটেলাইট চিত্র এখন আর আগের মতো সহজে মিলবে না।
প্ল্যানেট ল্যাবস জানিয়েছে, এখন থেকে তারা ‘ম্যানেজড অ্যাকসেস’ মডেলে কাজ করবে। অর্থাৎ, বিশেষ জরুরি বা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যু ছাড়া সংঘাতপূর্ণ এলাকার কোনো ছবি প্রকাশ করা হবে না।
আরও পড়ুন: কোন প্রযুক্তিতে একের পর এক মার্কিন সামরিক বিমান ফেলে দিচ্ছে ইরান?
এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে পুরো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্র দেশগুলোর ঘাঁটি এবং পারস্য উপসাগরীয় রাষ্ট্রসমূহ।
সাধারণত প্ল্যানেট ল্যাবসের ছবিগুলো সংবাদমাধ্যম ও গবেষকরা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাতে পেয়ে থাকেন। তবে বর্তমান নীতিমালার কারণে ভ্যান্টর-এর মতো অন্যান্য বড় স্যাটেলাইট সেবাদাতারাও একই ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
মার্কিন আইন অনুযায়ী, জাতীয় নিরাপত্তা কিংবা বৈদেশিক নীতির স্বার্থে যেকোনো বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট কোম্পানিকে তথ্য প্রকাশে বাধা দেয়ার ক্ষমতা রাখে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শত্রুপক্ষ যাতে স্যাটেলাইট চিত্র ব্যবহার করে সামরিক স্থাপনা বা রাডার সাইট টার্গেট করতে না পারে, সেজন্যই এই গোপনীয়তা।
প্ল্যানেট ল্যাবস জানিয়েছে, সংঘাত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই বিশেষ নীতিমালা বহাল থাকবে। যদিও এমন পদক্ষেপের কারণে যুদ্ধের মাঠের প্রকৃত চিত্র যাচাই করা সংবাদকর্মীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·