যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কা: ৮২ মেট্রো স্টেশন ও ৩০০ পার্ককে আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা ইরানের

১৫ ঘন্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ব্যাপক জল্পনা-কল্পনার মধ্যে তেহরানে যুদ্ধের ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে শহরজুড়ে মেট্রো স্টেশন, পার্কিং এলাকা ও ভূগর্ভস্থ স্থাপনাকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংকট ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সময় শনিবার (৩১ জানুয়ারি) তেহরানে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপাকালে এসব তথ্য জানান তেহরান সংকট ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান আলী নাসিরি।

 

তিনি বলেন, তেহরান সিটি করপোরেশনের প্যাসিভ ডিফেন্স কমিটি রাজধানীর বিদ্যমান আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর ওপর একটি বিস্তৃত জরিপ চালিয়েছে। এতে দেখা গেছে, তেহরানের বিভিন্ন স্কুলে থাকা প্রায় ৫১৮টি পুরোনো আশ্রয়কেন্দ্র শনাক্ত করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে মাত্র ২০ শতাংশ বর্তমানে সংস্কার ও ব্যবহারের উপযোগী অবস্থায় রয়েছে।

 

আলী নাসিরি বলেন, তেহরানের ৮২টি মেট্রো স্টেশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব স্থানে বিশ্রামাগার, পানি, খাদ্য মজুতসহ প্রয়োজনীয় সুবিধা স্থাপন করা হচ্ছে। এই স্টেশনগুলোতে আশ্রয়কেন্দ্র নির্দেশক সাইনবোর্ড ও লেবেল  স্থাপনের কাজ শিগগিরই সম্পন্ন হবে।

 

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপন বৈঠক, ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে সৌদি আরব!

 

তিনি আরও বলেন, মেট্রো এলাকার বাইরে বাইরে থাকা পার্কিং লট এবং পাবলিক কমপ্লেক্সের মতো ৩০০ টিরও বেশি ভূগর্ভস্থ স্থানকেও সম্ভাব্য জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

এদিকে  যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন ও ওয়াশিংটনের ক্রমাগত হামলার হুমকির মধ্যে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি জানিয়েছেন, উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেও একটি আলোচনার কাঠামো তৈরির কাজ এগিয়ে চলেছে।

 

স্থানীয় সময় শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে লারিজানি বলেন, কৃত্রিম মিডিয়া যুদ্ধের ডামাডোলের বাইরেও আলোচনার একটি কাঠামো গঠনের কাজ এগোচ্ছে। তবে এই কাঠামো বা আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

 

আরও পড়ুন: ইরান নিয়ে ট্রাম্পের গোপন পরিকল্পনা, অন্ধকারে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন মিত্ররা!

 

অন্যদিকে শনিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে ট্রাম্পের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান, ইরান নিয়ে তার সবশেষ চিন্তাভাবনা কী? শুরুতে কোনো জবাব না দিতে চাইলেও পরে তিনি বলেন, আমরা ওই অঞ্চলে ব্যাপক সামরিক সম্পদ জোরদার করেছি। আশা করি তারা (তেহরান) এমন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে যা গ্রহণযোগ্য।

 

হামলা না হলে ইরান আরও উৎসাহিত হতে পারে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এমন মন্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘কেউ কেউ এটা মনে করতে পারে। আবার কেউ কেউ এটা মনে করে না।’
 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন