ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মুখপাত্র বলেন, যদি ইরানের তেল অবকাঠামোর ওপর হামলা হয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যেসব তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোতে মার্কিন কোম্পানির অংশীদারিত্ব আছে বা যারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা করে, সেগুলো ধ্বংস করে দেয়া হবে।
মুখপাত্র আরও বলেন, ইরানের তেল স্থাপনায় হামলা হলে অঞ্চলের সব তেল ও জ্বালানি অবকাঠামো, যেগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ জড়িত, সেগুলো ধ্বংস হয়ে ছাইয়ে পরিণত হবে।
আরও পড়ুন: সৌদিতে ইরানি মিসাইলের আঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ৫ বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র খারগ দ্বীপে ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রয়োজনে দ্বীপটির তেল অবকাঠামোতেও হামলা চালানো হতে পারে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে। তারা ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে।
আরও পড়ুন: এবার ইরানের খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলা
তিনি আরও বলেন, আমি এখনো দ্বীপটির তেল অবকাঠামো ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নেইনি। তবে ইরান বা অন্য কেউ যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীন ও নিরাপদ পথ ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাহলে আমি এই সিদ্ধান্তও পুনর্বিবেচনা করব।’
সূত্র: আল জাজিরা
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৭








Bengali (BD) ·
English (US) ·